গত দুই বছর ধরে সরকার গরমকালীন পেঁয়াজ চাষের জন্য প্রায় ৩৭ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল দেশের পেঁয়াজের চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে পার্থক্য কমানো।
কিন্তু এই প্রকল্প এখন ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ এই প্রকল্পের অধীনে সরবরাহ করা বীজগুলো গরমের কারণে মারা যাচ্ছে। জেলা কৃষি অফিসারদের মতে, এই বীজগুলো ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না।
উত্তরাঞ্চলে গরমের সময় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যায়। এই তাপমাত্রায় চারা গুলো মারা যাচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলছেন, তারা এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাননি।
একজন কৃষি অর্থনীতিবিদ বলচেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এই বীজ সরবরাহ শৃঙ্খলের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২৮ লাখ টন লাল পেঁয়াজ খাওয়া হয়। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই দেশীয় উৎপাদন থেকে আসে। বাকি অংশটি আমদানি করা হয়।
সাধারণত কৃষকরা শীতকালে পেঁয়াজ চাষ করে থাকে। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় সরকার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে।
এই প্রকল্পটি এই লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন এটি ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং লালমনিরহাট জেলার ৪০ জন কৃষকের সাথে কথা বলে এটি স্পষ্ট হয়েছে।
কৃষকরা বলছেন, বীজগুলো চারা হয়ে মারা যাচ্ছে। এটি গত দুই বছর ধরে হচ্ছে। এই বীজগুলো আর নেওয়া হবে না বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকারকে নতুন পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায়, পেঁয়াজের দাম আবার বেশি হয়ে যাবে।
সরকারকে কৃষকদের সাহায্য করতে হবে। তাদের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে হবে।
এই প্রকল্পের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। অন্যথায়, কৃষকরা আর সরকারের উপর আস্থা রাখবেন না।
সরকারকে এই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষকদের সাহায্য করে দেশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই প্রকল্পের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। অন্যথায়, দেশের কৃষি খাত আরও পিছিয়ে যাবে।
সরকারকে এই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষকদের সাহায্য করে দেশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই প্রকল্পের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। অন্যথায়, দেশের কৃষি খাত আরও পিছিয়ে যাবে।
সরকারকে এই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষকদের সাহায্য করে দেশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই প্রকল্পের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে নতুন পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। অন্যথায়, দেশের কৃ



