যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই একজন ভারতীয় নাগরিককে ধরতে ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছে। ওই ব্যক্তির নাম নাজির হামিদ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে ২০১৭ সালের একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
নাজির হামিদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের মার্চ মাসে নিউ জার্সির ম্যাপেল শেডের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ভারতীয় নারী শশীকলা নারা ও তার ছয় বছর বয়সি ছেলে অনিশ নারাকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হামিদের বিরুদ্ধে প্রথম ডিগ্রি হত্যা ও অবৈধভাবে অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের ছয় মাস পরে হামিদ ভারতে চলে যান এবং এখনও সেখানেই রয়েছেন। হামিদ এফবিআইয়ের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছেন। বার্লিংটন কাউন্টি প্রসিকিউটর অফিস এক বিবৃতিতে বলেছে, হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
নিউ জার্সির গভর্নর ফিল মারফি জানান, গত সপ্তাহে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিনয় কোয়াত্রাকের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ও একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেখানে হামিদের প্রত্যর্পণে ভারত সরকারের ‘সহায়তা’ চাওয়া হয়েছে। মারফি বলেন, জঘন্য অপরাধটি পুরো রাজ্যকে হতবাক করে দিয়েছিল।
বার্লিংটন কাউন্টির প্রসিকিউটর লাচিয়া ব্র্যাডশ এবং ম্যাপেল শেড পুলিশ প্রধান ক্রিস্টোফার ফ্লেচার ৮ বছরের তদন্ত শেষে হামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঘোষণা করেন। পরবর্তী পদক্ষেপ হবে হামিদকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা।
নিউ জার্সির গভর্নর ফিল মারফি জানান, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিনয় কোয়াত্রাকের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ও একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেখানে হামিদের প্রত্যর্পণে ভারত সরকারের ‘সহায়তা’ চাওয়া হয়েছে। মারফি বলেন, জঘন্য অপরাধটি পুরো রাজ্যকে হতবাক করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, নিউ জার্সি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিচার বিভাগ এবং এফবিআই-এর সঙ্গে ‘ভারতীয় আইন ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক চুক্তির শর্তাবলী অনুসারে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য’ সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেওয়ার জন্য মারফি কোয়াত্রার প্রতি ‘কৃতজ্ঞতা’ প্রকাশ করেন। গত মাসে বার্লিংটন কাউন্টির প্রসিকিউটর লাচিয়া ব্র্যাডশ এবং ম্যাপেল শেড পুলিশ প্রধান ক্রিস্টোফার ফ্লেচার ৮ বছরের তদন্ত শেষে হামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ঘোষণা করেন। বার্লিংটন কাউন্টি প্রসিকিউটর অফিস এক বিবৃতিতে বলেছে, হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। পরবর্তী পদক্ষেপ হবে হামিদকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনা।
এই কেসটি যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ভারত সরকারের কাছে হামিদের প্রত্যর্পণের জন্য অনুরোধ করেছে। ভারত সরকারও এই বিষয়ে সহযোগিতা করতে রাজি হয়েছে। এই কেসটি যুক্তরাষ্ট্র এবং ভ



