কাতারের দোহায় ভারতের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী মকবুল ফিদা হুসেনের চিত্রকর্ম নিয়ে বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়েছে। এই জাদুঘরের নাম ‘লাওহ ওয়া কলম: এম. এফ. হুসেন মিউজিয়াম’, যার অর্থ ‘ক্যানভাস ও কলম’।
কাতার ফাউন্ডেশনের এডুকেশন সিটিতে নির্মিত এই জাদুঘরে হুসেনের জীবনের শেষ কয়েক বছরের ১৫০টির বেশি মূল চিত্রকর্ম ও ব্যক্তিগত সংগ্রহ প্রদর্শিত হয়েছে। এই জাদুঘরের স্থাপত্যও নিজেই একটি গল্প বহন করে। মকবুল ফিদা হুসেন জীবদ্দশায় নিজের কাজ সংরক্ষণের জন্য একটি জাদুঘরের স্কেচ আঁকেন এবং সেটির পাশে কিছু নির্দেশনাও লেখেন।
জাদুঘরের কিউরেটর জানান, ১৯৮৪ সালে হুসেন প্রথম কাতারে আসেন এবং কাতারি শিল্পী ইউসুফ আহমেদের সঙ্গে কাজ প্রদর্শন করেন। পরে ২০০৭ সালে দোহায় ইসলামিক আর্ট মিউজিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর পুনরাগমন দু’দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
জাদুঘরটিতে হুসেনের চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, ট্যাপেস্ট্রি, কবিতা, ইনস্টলেশন—১৯৫০-এর দশক থেকে ২০১১ সালে তাঁর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নানা শিল্পমাধ্যমে সৃষ্ট কাজ স্থান পেয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে দোহায় তাঁর কাটানো সময়ের শিল্পকর্মে, যার মধ্যে রয়েছে আরব সভ্যতাকে কেন্দ্র করে নির্মিত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ—যা কাতার ফাউন্ডেশন ও রাজপরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তৈরি।
কাতার ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, সংস্থাটির চেয়ারম্যান শায়খা মোজা বিনতে নাসের জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন। শুক্রবার থেকে জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। জাদুঘরটি কাতার ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের গভীরতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাদুঘরের স্থাপত্য স্থপতি মরতান্দ খোসলা সম্পন্ন করেন। ১২ বর্গকিলোমিটারের বিস্তৃত এডুকেশন সিটি শিক্ষা, গবেষণা, বিনোদন ও সংস্কৃতিকে একত্রে ধারণ করা এক অনন্য নগরায়ণ প্রকল্প। এর মাঝে দক্ষিণ এশিয়ার আধুনিক শিল্পের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ এম. এফ. হুসেনকে নিয়ে এই জাদুঘর স্থাপন কাতার ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের গভীরতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাদুঘরটি দর্শকদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। এখানে হুসেনের চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, ট্যাপেস্ট্রি, কবিতা, ইনস্টলেশন প্রদর্শিত হয়েছে। জাদুঘরটি কাতার ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের গভীরতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাদুঘরটি দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। দর্শকরা এখানে হুসেনের চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, ট্যাপেস্ট্রি, কবিতা, ইনস্টলেশন দেখতে পারবেন। জাদুঘরটি কাতার ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের গভীরতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
জাদুঘরটি দর্শকদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। এখানে হুসেনের চিত্রকর্ম, চলচ্চিত্র, আলোকচিত্র, ট্যাপেস্ট্রি, কবিতা, ইনস্টলেশন প্রদর্শিত হয়েছে। জাদুঘরটি কাতার ও ভারতের সাংস্কৃতিক সম্পর্কের গভ



