মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনে সয়াবিন রফতানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত কয়েক মাস ধরে চলমান ট্যারিফ যুদ্ধের কারণে বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়লেও এখন আবার সয়াবিন রফতানি শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে কমপক্ষে ছয়টি বাল্ক কার্গো জাহাজ সয়াবিন লোড করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
মার্কিন কৃষক ও বিপণনকারীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাণিজ্য আলোচনার পর রফতানি শুরু হওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। চীন এই বছরের শেষের দিকে ১২ মিলিয়ন মেট্রিক টন সয়াবিন কেনার অঙ্গীকার করেছে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে। তবে চীন এখনও এই অঙ্গীকারের বিবরণ নিশ্চিত করেনি।
চীনা ক্রেতারা গত মাসে পরবর্তী বছরের জন্য প্রায় ২ মিলিয়ন মেট্রিক টন সয়াবিন কেনার জন্য চুক্তি করেছে। তবে এরপর থেকে খুব কম ক্রয় নিশ্চিত হয়েছে। চীনের বাজার থেকে দূরে থাকার কারণে সয়াবিনের দাম প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যে নেমে এসেছে।
মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রোলিন্স গত মাসে বলেছিলেন যে ট্রাম্প প্রশাসন চীনের সাথে এই সপ্তাহে বৈঠক করবে। তিনি জানিয়েছেন যে প্রশাসন পরবর্তী সপ্তাহে কৃষকদের জন্য একটি সাহায্য প্যাকেজ ঘোষণা করবে যারা কম ফসলের দাম ও বাণিজ্য অস্থিতিশীলতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনে সয়াবিন রফতানি বৃদ্ধির ফলে মার্কিন কৃষক ও বিপণনকারীদের জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এই বৃদ্ধি ট্যারিফ যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা কমাতে পারবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট।
চীনের সাথে বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে মার্কিন কৃষি খাতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। তবে সয়াবিন রফতানি বৃদ্ধির ফলে এই ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে। মার্কিন কৃষক ও বিপণনকারীদের জন্য এটি একটি সুসংবাদ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনে সয়াবিন রফতানি বৃদ্ধির ফলে বিশ্ববাজারে সয়াবিনের দাম বাড়তে পারে। এটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কৃষক ও বিপণনকারীদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে মার্কিন কৃষক ও বিপণনকারীদের জন্য এটি একটি সুযোগ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনে সয়াবিন রফতানি বৃদ্ধির ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নত হতে পারে। এটি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির একটি সুযোগ। তবে এই বৃদ্ধি ট্যারিফ যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা কমাতে পারবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চীনে সয়াবিন রফতানি বৃদ্ধির ফলে বিশ্ব বাজারে সয়াবিনের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। এটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের কৃষক ও বিপণনকারীদের জন্য একটি সুযোগ। তবে এই বৃদ্ধি ট্যারিফ যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা কমাতে পারবে কিনা তা এখনও অস্পষ্ট।



