সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া বলেছেন, ব্যাংকের প্রধান কাজ হবে জমাদারদের আস্থা ফিরিয়ে আনা। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মানসুরের সাথে সাক্ষাতের পর এই বক্তব্য দেন।
সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সরকার একটি শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংক চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ব্যাংকের মূল লক্ষ্য হবে জমাদারদের আস্থা অর্জন করা। ব্যাংকটি দেশের একটি আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠার জন্য একটি কারিগরি দল কাজ করছে। ব্যাংকের ভিশন, মিশন, আইনি কাঠামো এবং সামগ্রিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়েছে। ব্যাংকটি পুরোপুরি কার্যক্ষম হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়ায় পাঁচটি ব্যাংকের একীভূতকরণ সম্পন্ন করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংককে অপারেটিং লাইসেন্স প্রদান করেছে। ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় সেনা কল্যাণ ভবন, মতিঝিলে অবস্থিত। ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ রবিবার এক বিশেষ সভায় পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ইসলামি ব্যাংককে একত্রিত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের প্রাথমিক মূলধন ৩৫,০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২০,০০০ কোটি টাকা সরকার এবং ১৫,০০০ কোটি টাকা জমাদারদের অংশ। ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধন ৪০,০০০ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে যে সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক ইসলামি ব্যাংকিং খাতকে স্থিতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পরের সপ্তাহ থেকে ব্যাংকটি ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জমার ফেরত দেওয়া শুরু করবে।
সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ব্যাংকটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।



