বাংলাদেশ সরকার বর্তমান ধান কাটার মরসুমে আমন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে। গত বছর চাষীদের কাছ থেকে যথেষ্ট পরিমাণে ধান সরবরাহ না হওয়ায় ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা কমানো হয়েছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয় বর্তমান মরসুমে ৫০,০০০ টন আমন ধান ক্রয়ের পরিকল্পনা করেছে, যা গত বছরের ৩,৫০,০০০ টনের লক্ষ্যমাত্রার এক-সপ্তমাংশ। খাদ্য পরিকল্পনা ও মনিটরিং ইউনিটের মহাপরিচালক জানিয়েছেন, গত বছর মাত্র ২৭,০০০ টন ধান ক্রয় করা হয়েছিল।
খাদ্য পরিকল্পনা ও মনিটরিং কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির সভায় জানানো হয়, আমন ধানের বাজারজাত অতিরিক্ত পরিমাণ কম, এবং চাষীরা প্রধানত নিজেদের খাওয়ানোর জন্য ধান উৎপাদন করে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে চাষীদের উপর কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। কৃষকদের জীবিকার উন্নতির জন্য সরকারকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে কৃষক সংগঠন।
সরকারি ক্রয়কেন্দ্রগুলোতে ধান বিক্রি করার সুযোগ কমে যাওয়ায় চাষীরা বাজারে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে ধানের দাম কমে যাচ্ছে, যা চাষীদের জন্য উপার্জনের একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সরকারকে চাষীদের জন্য আরও সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে বিভিন্ন কৃষক সংগঠন। তারা বলছে, চাষীদের উপার্জন বাড়ানোর জন্য সরকারকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের কৃষি খাতে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
সরকারকে চাষীদের জন্য আরও সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে বিভিন্ন কৃষক সংগঠন। তারা বলছে, চাষীদের উপার্জন বাড়ানোর জন্য সরকারকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনীতিতে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
সরকারকে চাষীদের জন্য আরও সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে বিভিন্ন কৃষক সংগঠন। তারা বলছে, চাষীদের উপার্জন বাড়ানোর জন্য সরকারকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হতে পারে।
সরকারকে চাষীদের জন্য আরও সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে বিভিন্ন কৃষক সংগঠন। তারা বলছে, চাষীদের উপার্জন বাড়ানোর জন্য সরকারকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি হুমকির সম্মুখীন হতে পারে।
সরকারকে চাষীদের জন্য আরও সুবিধাজনক পরিবেশ তৈরি করার জন



