নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ বলেন, বিগত দেড় দশকে নির্বাচনী ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর উত্তরণ ঘটাতে সকলের দায় দায়িত্ব আছে। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে ভিন্ন মাত্রার। একেক জন ভোটারের গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগছে দুই ভোট একসাথে দিতে বলেও জানান তিনি।
ভোটে সময় গণমাধ্যমের অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করারও আশ্বাস দেন তিনি। একই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদের নির্বাচনের জোয়ারে আছে নির্বাচন কমিশন। সরকারের সাথে সুর মিলিয়ে শতাব্দীর ভাল নির্বাচন চায় ইসি বলেও জানান।
নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণা থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। নির্বাচন কমিশন গণমাধ্যমকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য উত্সাহিত করছে।
এই নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা কী হবে তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় থাকবে বলে মনে হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হবে। এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় থাকলে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যায়। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণা থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। নির্বাচন কমিশন গণমাধ্যমকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য উত্সাহিত করছে।
এই নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় থাকলে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যায়। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হবে। এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এই নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় থাকলে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা যায়। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচন কমিশনের এই ঘোষণা থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। নির্বাচন কমিশন গণমাধ্যমকে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা পালনের জ



