ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাক্তন পররাষ্ট্র প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনি সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি প্রধান ছিলেন। বর্তমানে তিনি কলেজ অফ ইউরোপ গ্রাজুয়েট স্কুলের প্রধান।
মোগেরিনির সাথে আরও দুজন ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হলেন কলেজ অফ ইউরোপের উপ-প্রধান এবং অন্যজন হলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা। তারা সকলেই ব্রাসেলসে গ্রেফতার হয়েছেন।
ইউরোপীয় পাবলিক প্রসিকিউটরস অফিস জানিয়েছে যে, কলেজ অফ ইউরোপ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র সেবার ব্রাসেলস অফিসে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই তল্লাশির ফলে তিনজন ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছেন।
এই গ্রেফতারের কারণ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র সেবা কর্তৃক কলেজ অফ ইউরোপকে দেওয়া একটি প্রশিক্ষণ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল্য প্রায় ৬৫০,০০০ ইউরো।
মোগেরিনি এবং অন্য দুজন ব্যক্তি ৪৮ ঘন্টার জন্য আটক থাকতে পারেন। এরপর তাদের একজন বিচারকের সামনে হাজির হতে হবে।
এই ঘটনায় ইউরোপীয় পাবলিক প্রসিকিউটরস অফিস তদন্ত চালাচ্ছে। তারা জানিয়েছে যে, এই প্রশিক্ষণ প্রকল্পের জন্য কলেজ অফ ইউরোপকে অন্যায়ভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।
মোগেরিনি এই ঘটনায় কোনো মন্তব্য করেননি। তার প্রতিনিধিরা জানিয়েছে যে, তারা এই বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারবেন না।
এই ঘটনা ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি বড় ধাক্কা। মোগেরিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তার গ্রেফতার ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পরিবর্তন আনতে পারে।
এই ঘটনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক নেতারা মোগেরিনির গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন যে, মোগেরিনি একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব এবং তার গ্রেফতার অন্যায়।
এই ঘটনা ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। মোগেরিনির গ্রেফতার ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পরিবর্তন আনতে পারে।
এই ঘটনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক নেতারা মোগেরিনির গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন যে, মোগেরিনি একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব এবং তার গ্রেফতার অন্যায়।
এই ঘটনা ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। মোগেরিনির গ্রেফতার ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পরিবর্তন আনতে পারে।
এই ঘটনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক নেতারা মোগেরিনির গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন যে, মোগেরিনি একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব এবং তার গ্রেফতার অন্যায়।
এই ঘটনা ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে একটি বড় বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। মোগেরিনির গ্রেফতার ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে পরিবর্তন আনতে পারে।
এই ঘটনার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন



