22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিযুক্তরাষ্ট্র ১৯ দেশের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে

যুক্তরাষ্ট্র ১৯ দেশের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে

যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইউরোপের বাইরে থাকা ১৯টি দেশের সব ধরনের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া অস্থায়ীভাবে স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা উদ্বেগকে দায়ী করা হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে এমন ১৯ দেশের নাগরিকদের ওপর প্রভাব পড়বে, যারা এরই মধ্যে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন। এতে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর বিধিনিষেধ যোগ হলো—যা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের অন্যতম মূল প্রতিশ্রুতি। তালিকায় আফগানিস্তান ও সোমালিয়ার মতো দেশও রয়েছে।

নতুন নীতির ব্যাখ্যা দেওয়া সরকারি স্মারকে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে মার্কিন ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আফগানিস্তানের এক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই হামলায় এক গার্ড সদস্য নিহত হন এবং আরেকজন গুরুতর আহত হন।

সম্প্রতি ট্রাম্প সোমালিদের বিরুদ্ধেও কথার আক্রমণ বাড়িয়েছেন এবং বলেছেন, ‘আমরা তাদের আমাদের দেশে চাই না।’ এ বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প অভিবাসন আইন প্রয়োগে আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছেন। তিনি ফেডারেল এজেন্ট পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় শহরে এবং যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তার প্রশাসন এতদিন মূলত অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কার অভিযানকে গুরুত্ব দিলেও এবার তারা বৈধ অভিবাসন কাঠামোতেও পরিবর্তনের দিকে ঝুঁকছে। জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে বৈধ অভিবাসন সীমিত করতেই ট্রাম্প প্রশাসন জোর দিচ্ছে এবং এর জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নীতিকে দায়ী করা হচ্ছে।

বাকি দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান এবং ভেনেজুয়েলা—যারা জুনে আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় পড়েছিল। নতুন নীতিতে এসব দেশের নাগরিকদের সব আবেদন স্থগিত করা হয়েছে এবং নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে প্রতিটি আবেদনকারীর ওপর সম্পূর্ণ পুনঃপর্যালোচনা চালাতে হবে।

প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকারও হতে পারে, যাতে জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন করা যায়। স্মারকে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীদের দ্বারা সংঘটিত কয়েকটি অপরাধের ঘটনাও এই সিদ্ধান্তে ভূমিকা রেখেছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর বিধিনিষেধ যোগ হবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা উদ্বেগকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। এটি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এবং এর ফলে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর বিধিনিষেধ যোগ হবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হবে এবং এটি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় আরও কঠোর বিধিনিষেধ যোগ হবে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা উদ্বেগকে প্রাধান্য দে

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments