হলিউডের একজন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক দেবিদ মাতালনের মৃত্যু ঘটেছে। তিনি ট্রাইস্টার পিকচার্সের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং রিজেন্সির সাবেক সিইও ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।
দেবিদ মাতালন তার বেভারলি হিলসের বাড়িতে মারা গেছেন। তার মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। মাতালন ১৯৪৩ সালের ৫ই জুলাই জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন কলম্বিয়া পিকচার্স ইন্টারন্যাশনালে। পরে তিনি ট্রাইস্টার পিকচার্স প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ট্রাইস্টার পিকচার্সের পর মাতালন রিজেন্সির দায়িত্ব নেন। তিনি ১৯৯৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত রিজেন্সির সিইও ছিলেন। তার নেতৃত্বে রিজেন্সি অনেক সফল চলচ্চিত্র তৈরি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে এলএ কনফিডেনশিয়াল, হিট, ফাইট ক্লাব, আনফেইথফুল, এনট্রাপমেন্ট এবং দ্য ফাউন্টেন।
মাতালনের মৃত্যুতে চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া নেমেছে। তিনি একজন অনুপম চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক ছিলেন। তার অবদানকে চলচ্চিত্র জগত সদাই স্মরণ করবে।
দেবিদ মাতালনের মৃত্যু চলচ্চিত্র জগতের জন্য একটি বড় ক্ষতি। তিনি একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান ও অনুপম চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। তার চলচ্চিত্রগুলো দর্শকদের মনে গভীর ছাপ রেখেছে।
মাতালনের পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ। তার কন্যারা তার স্মৃতিকে সম্মান করছেন। তারা তার অবদানকে স্মরণ করছেন এবং তার স্মৃতিকে সম্মান করছেন।
দেবিদ মাতালনের মৃত্যু চলচ্চিত্র জগতের জন্য একটি বড় ক্ষতি। তিনি একজন অনুপম চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক ছিলেন। তার অবদানকে চলচ্চিত্র জগত সদাই স্মরণ করবে।
চলচ্চিত্র জগতের সকলেই দেবিদ মাতালনের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ। তিনি একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান ও অনুপম চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। তার চলচ্চিত্রগুলো দর্শকদের মনে গভীর ছাপ রেখেছে।
দেবিদ মাতালনের মৃত্যু চলচ্চিত্র জগতের জন্য একটি বড় ক্ষতি। তিনি একজন অনুপম চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক ছিলেন। তার অবদানকে চলচ্চিত্র জগত সদাই স্মরণ করবে।



