এক নারী তার বাধ্যতামূলক বিবাহের কথা বলছেন, যেখানে তিনি তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকদের দ্বারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন।
তিনি বলছেন, তার স্বামী তাকে প্রায়ই মারধর করত এবং তাকে ভয় দেখানোর জন্য তার মুখের কাছে লাইটার জ্বালিয়ে দিত।
তিনি আরও বলছেন, যখন তিনি ইংল্যান্ডে এসেছিলেন, তখন তার স্বামীর আচরণ আরও খারাপ হয়ে গেছে এবং তাকে দাসের মতো কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।
বাধ্যতামূলক বিবাহ এমন একটি বিবাহ যেখানে এক বা উভয় পক্ষই বিবাহে সম্মতি দেয় না এবং চাপ বা নির্যাতনের মাধ্যমে তাদেরকে বিবাহে বাধ্য করা হয়।
২০১৪ সালে, ইংল্যান্ডে বাধ্যতামূলক বিবাহ অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল এবং এর জন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
গত বছর, ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসের তথ্য অনুসারে, বাধ্যতামূলক বিবাহের জন্য ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১৬টি দন্ডিত হয়েছিল।
তবে, বাধ্যতামূলক বিবাহের শিকার নারীদের সাহায্য করে এমন দাতব্য সংস্থা কর্মা নির্বাণা বলছে, এই সংখ্যাটি আসলে বাধ্যতামূলক বিবাহের শিকার নারীদের সংখ্যার চেয়ে কম।
এই সংস্থাটি বলছে, গত বছর তাদের হেল্পলাইনে ৬২৪টি ফোন কল এসেছে, যা হোম অফিসের বাধ্যতামূলক বিবাহ ইউনিটের রেকর্ড করা ২২৯টি কলের চেয়ে প্রায় তিনগুণ।
এই নারীর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে এবং তার অবস্থানটি গোপন রাখা হয়েছে তার সুরক্ষার জন্য।
তিনি বলছেন, তার পরিবার ও বন্ধুরা তাকে বলেছিল যে ইংল্যান্ডে তার জীবন ভালো হবে, কিন্তু কিছুদিন পরেই তার স্বামীর আচরণ খারাপ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলছেন, তাকে বলা হয়েছিল যে যদি সে বাড়ি থেকে বের হয়, তাহলে ইংরেজ লোকেরা তাকে ধর্ষণ বা হত্যা করবে।
এই নারীর গল্পটি বাধ্যতামূলক বিবাহের শিকার অনেক নারীর গল্পের মতোই, যারা তাদের পরিবার ও সমাজের দ্বারা শোষিত হয়।
এই ধরনের বিবাহ রোধ করার জন্য, আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে এবং এই নারীদের সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসতে হবে।
আমরা আশা করি যে এই গল্পটি অন্যদের জন্য একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে এবং বাধ্যতামূলক বিবাহের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমরা সবাইকে একসাথে কাজ করতে উত্সাহিত করবে।
বাধ্যতামূলক বিবাহ একটি গুরুতর সমস্যা যা অনেক নারীকে প্রভাবিত করে।
এই সমস্যাটি সমাধান করার জন্য, আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে এবং এই নারীদের সাহায্য করার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
আমরা আশা করি যে এই গল্পটি অন্যদের জন্য একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে এবং বাধ্যতামূলক বিবাহের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আমরা সবাইকে একসাথে কাজ করতে উত্সাহিত করবে।
বাধ্যতামূলক বিবাহের শিকার নারীরা প্রায়ই তাদের পরিবার ও সমাজের দ্বারা শোষিত হয়।
তারা প্রায়ই তাদের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকদের দ্বারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়।
এই নারীরা প্রায়ই তাদের অধিকার সম্পর্কে অজ্ঞ থাকে এবং তারা কীভাবে তাদের অধিকার রক্ষা করতে পারে তা জানে না।
বাধ্যতামূলক বিবাহ রোধ করার জন্য, আমাদের সকলকে সচেতন হতে হবে



