বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে। প্রধান উপদেষ্টার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, সরকার মোবাইল আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের বাজার আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
গাজীপুরের হাই-টেক পার্কে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করা হয়। তৈয়্যব বলেন, সরকার মোবাইল ফোন শিল্পের পাশে থাকবে এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে। তিনি আরও বলেন, সরকার অবৈধ আমদানি মোকাবেলায় কাজ করছে।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে সরকার ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার’ বা এনইআইআর চালু করবে। এর ফলে প্রত্যেকটি মোবাইল ফোন নিবন্ধনের আওতায় আসবে। এনইআইআর চালুর আগে যেসব ফোন নেটওয়ার্কে রয়েছে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের বাজারে আরও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকার আরও জানিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান দেশে মোবাইল সংযোজন বা উৎপাদন করছে, তাদের জন্য বাড়তি প্রণোদনা থাকবে।
তৈয়্যব বলেন, সরকার স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে চায়। তিনি আরও বলেন, সরকার ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ বহনকারী পণ্যগুলোকে উৎসাহিত করতে চায়।
বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের বাজারে এই সিদ্ধান্তের ফলে আরও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পের জন্য একটি নতুন দিক নির্দেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের বাজারে আরও উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকার স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে চায় এবং ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগ বহনকারী পণ্যগুলোকে উৎসাহিত করতে চায়।
বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের বাজারে এই সিদ্ধান্তের ফলে আরও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পের জন্য একটি নতুন দিক নির্দেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



