রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) গেজেটে ১৩ জন প্রার্থীর অন্তর্ভুক্তি দাবি করছে, যারা নিয়োগের জন্য সুপারিশকৃত হয়েছিল। এই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্যারিস রোডে একটি মানব শৃঙ্খল গঠন করেছে তাদের দাবি তুলে ধরার জন্য।
শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের কাছে একটি সংশোধিত গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছে, যাতে বাদ দেওয়া প্রার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তারা বিজেএস নিয়োগের পূর্বে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার দাবি জানিয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী বলেছে, বছরের পর বছর ধরে এটি একটি প্রতিষ্ঠিত অনুশীলন হয়ে উঠেছে যে যোগ্য ও সুপারিশকৃত প্রার্থীরা বিজেএস-এর গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু এই বছর, ১৩ জন যোগ্য প্রার্থীকে অন্যায়ভাবে গেজেট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে একজন শিক্ষার্থী বলেছে, রাষ্ট্র সরকারি চাকরিতে সমান সুযোগের প্রতিশ্রুতি দেয়। তিনটি পর্যায় পার হওয়ার পরে একজন প্রার্থীকে বাদ দেওয়া অবৈধ এবং এটি একটি অনিয়মের প্রকাশ।
এই ঘটনাটি আগের স্বৈরাচারী সময়ের মতো একটি ম্যানিপুলেটিভ অনুশীলনের সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালের আন্দোলনের ত্যাগের সাথে সাংঘর্ষিক।
আগের দিনে, আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে একটি মানব শৃঙ্খল গঠন করেছিল, যেখানে তারা বিজেএস গেজেটে একই ১৩ জন বাদ পড়া প্রার্থীর অন্তর্ভুক্তি দাবি করেছিল।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা তুলে ধরে, যা দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। এটি একটি সতর্কতামূলক কাহিনী, যা আমাদেরকে সমান সুযোগ ও ন্যায্যতার গুরুত্ব সম্পর্কে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন এই ধরনের ঘটনা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে? আপনি কি মনে করেন কর্তৃপক্ষ এই সমস্যা সমাধানের জন্য কী করতে পারে?



