পাবনার ইশ্বরদী উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে একটি পুকুরে আটটি নবজাতক কুকুরছানা ডুবে মারা গেছে। এই ঘটনার পর প্রশাসন সেখানে থাকা একজন কর্মকর্তাকে তার সরকারি বাসভবন খালি করার নির্দেশ দিয়েছে।
ইশ্বরদী উপজেলার স্মল ফার্মার্স ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসনুর রহমান নায়ন সেখানে তার পরিবারের সাথে একটি সরকারি বাসভবনে বসবাস করতেন। স্থানীয় ও পরিষদ কর্মচারীদের মতে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে একটি পথচারী কুকুর নায়নের সরকারি বাসভবনের উঠোনে আটটি কুকুরছানার জন্ম দিয়েছিল এবং সেখানেই তাদের নিয়ে বসবাস করছিল।
গতকাল সেই কুকুরটি পরিষদ প্রাঙ্গণে ঘুরছিল এবং চিৎকার করছিল, যা পাশের লোকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছিল। পরে জানা গেছে যে কুকুরছানাগুলোকে একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানেই তারা মারা গেছে। স্থানীয়রা পুকুর থেকে কুকুরছানাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে পরিষদ অফিসের কাছে নিয়ে আসে, তখন মায়ের কুকুরটি তাদের পাশে বসে অঝোর ধারে কাঁদতে থাকে। পরে কুকুরছানাদের দাফন করা হয়।
এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে কুকুরটির ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যা জনসাধারণের ক্ষোভের জন্ম দেয়।
ইশ্বরদী উপজেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনার পর স্থানীয়রা কুকুরছানাদের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে। তারা এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
প্রশাসন এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যেকোনো অপরাধীকে শাস্তি দেবে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



