জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েব-এ-আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ভোট প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করলে তাদের হাত সহ ফেরত আসা সম্ভব হবে না। ফরিদপুর জেলা ইউনিটের আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি যুবকদের ভোট কেন্দ্র রক্ষার জন্য আহ্বান জানান এবং বলেন, তাদের ভূমিকা হল ভোটাধিকার রক্ষা করা, নির্বাচন গড়ানো নয়। আজহারুল ইসলাম বলেন, পরবর্তী নির্বাচন নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ সার্বভৌম জাতি হিসেবে দাঁড়াতে পারবে কিনা, সন্ত্রাস ও আধিপত্যবাদী শক্তি থেকে মুক্ত কিনা।
তিনি দাবি করেন, জামায়াতের প্রতি বাড়তে থাকা জনপ্রিয়তা দলটিকে আক্রমণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তিনি আওয়ামী লীগকে সমালোচনা করে বলেন, দলটির নেতারা দেশ ছেড়ে চলে গেছেন, বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছেন।
জামায়াতের নারী বিষয়ক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে আজহারুল ইসলাম বলেন, তারা নারীদেরকে শুধু সতীত্বপূর্ণ জীবনযাপন করতে পরামর্শ দেয়, কিন্তু তারা নারীবিদ্বেষী নয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০২৫ সালে দুর্গাপূজার সময় কোনো মন্দিরে আক্রমণ হয়নি।
ফরিদপুরের চারটি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের উপস্থাপন করে তিনি আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও আবদুল কাদের মোল্লার স্মৃতি স্মরণ করেন এবং তাদেরকে ‘শহিদ’ বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, যদি তাদের ত্যাগের বিচার চান, তাহলে চারজন প্রার্থীকেই বিজয়ী করুন।
জামায়াতে ইসলামীর এই বক্তব্য রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে এই ধরনের বক্তব্য রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। এই বিষয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
জামায়াতে ইসলামীর এই বক্তব্য ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে তা দেখার বিষয়। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট এখন থেকে আরও উত্তপ্ত হবে।
জামায়াতে ইসলামীর এই বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া বহমান। কেউ কেউ এই বক্তব্যকে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ানোর একটি হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে কেউ কেউ এই বক্তব্যকে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থানের একটি প্রকাশ হিসেবে দেখছেন।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এবং জামায়াতে ইসলামীর এই বক্তব্য নিয়ে আরও আলোচনা হবে। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট এখন থেকে আরও গতিশীল হবে।
জামায়াতে ইসলামীর এই বক্তব্য নিয়ে সরকারি মহল থেকেও প্রতিক্রিয়া আসবে। সরকার এই বিষয়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে তা দেখার বিষয়।
জামায়াতে ইসলামীর এই বক্তব্য নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে এবং জামায়াতে ইসলামীর এই বক্তব্য নিয়ে আরও আলোচনা হবে।
জামায়াতে ইসলামীর এই বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া বহমান। কেউ কেউ এ



