ভেনেজুয়েলার একটি নৌকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে বৈধ বলে মনে করে হোয়াইট হাউস। এই হামলার ঘটনায় মাদক চোরাচালানের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
গত সেপ্টেম্বরে, মার্কিন নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল ফ্র্যাংক ব্র্যাডলি একাধিক হামলার আদেশ দেন। এই হামলার সাফাই গেয়ে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এ অভিযানের অনুমোদন দিয়েছিলেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র লেভিট আরও বলেছেন, অ্যাডমিরাল ব্র্যাডলি নিজের তার এখতিয়ার ও কর্তৃত্বের মধ্যে থেকেই নৌকা ধ্বংস এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি হুমকি দূর করতে হামলা পরিচালনা করেছেন।
সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় সাগর ও লাতিন আমেরিকার প্রশান্ত উপকূলজুড়ে অন্তত ১৯টি হামলা চালিয়েছে, যাতে ৭৬ জন নিহত হয়েছেন।
আইন বিশেষজ্ঞ ও কিছু রিপাবলিকান এবং ডেমোক্র্যাটিক আইনপ্রণেতাও এসব হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অধ্যাপক লরা ডিকিনসন বলেছেন, বেশিরভাগ আইনি মত অনুযায়ী এই হামলাগুলোকে সশস্ত্র সংঘাত হিসেবে ধরা যায় না; ফলে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার শেষ অবলম্বন ছাড়া বৈধ নয়।
সাবেক সামরিক আইনজীবীদের সংগঠন ‘জ্যাগস ওয়ার্কিং গ্রুপ’ নৌকায় হামলার নির্দেশকে ‘স্পষ্টত অবৈধ’ বলে আখ্যা দিয়েছে।
তাদের মতে, এমন নির্দেশ মানার বাধ্যবাধকতা নেই এবং বাস্তবায়ন করা উচিত নয়।
এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, বিপর্যস্ত বা পানিতে ভাসমান মানুষকে আক্রমণ করা নিষিদ্ধ।
এই ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন।
এই হামলার পরিণতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আগামী দিনগুলিতে।
এই ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এই ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই বিষয়ে আরও সচেতন হয়েছে।
এই ঘটনার পরিণতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আগামী দিনগুলিতে।
এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, বিপর্যস্ত বা পানিতে ভাসমান মানুষকে আক্রমণ করা নিষিদ্ধ।
এই ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন।
এই হামলার পরিণতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আগামী দিনগুলিতে।
এই ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই উত্তেজনা কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
এই ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই বিষয়ে আরও সচেতন হয়েছে।
এই ঘটনার পরিণতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আগামী দিনগুলিতে।
এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, বিপর্যস্ত বা পানিতে ভাসমান মানুষকে আক্রমণ করা নিষিদ্ধ।
এই ঘটনার পর থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন।
এই হামলার পরিণতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আগামী দিনগুলিতে।
এই ঘটনায় মার্কিন যুক্তরাষ



