20 C
Dhaka
Friday, January 30, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে দুই মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি

ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে দুই মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি

ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে দুই মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ইসলামাবাদের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরিতে দুই মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

একই দিনে রাওয়ালপিন্ডির ডেপুটি কমিশনারও পৃথক নির্দেশনায় ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবৎ করার ঘোষণা দেন।

দণ্ডবিধির ১৪৪ ধারা জেলা প্রশাসনকে বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য চার বা ততোধিক মানুষের সমাবেশ নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা দেয়।

ইসলামাবাদ ম্যাজিস্ট্রেটের ১৮ নভেম্বরের আদেশে বলা হয়, সমাজের কিছু অংশ “অবৈধ সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে”—এমন আশঙ্কা থেকে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, জেলার রাজস্বসীমা, বিশেষ করে রেড জোনসহ ইসলামাবাদের সব জনসমাগমস্থলে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনশান্তি, স্থিতিশীলতা ও আইন–শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এসব পদক্ষেপ জরুরি।

এই নিষেধাজ্ঞা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে এবং ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এদিকে রাওয়ালপিন্ডি ডেপুটি কমিশনারের আদেশে বলা হয়, জেলা ইন্টেলিজেন্স কমিটির (ডিআইসি) শনাক্ত “তাৎক্ষণিক হুমকি”, বিশেষ করে সংবেদনশীল স্থাপনা, প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘিরে, ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

কমিটি জানিয়েছে, কিছু গোষ্ঠী বড় সমাবেশ, বিক্ষোভ ও অস্থিরতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সক্রিয়ভাবে লোক জড়ো করছে।

তারা নরম লক্ষ্যবস্তু ও সংবেদনশীল স্থাপনার আশপাশে সহিংসতার আশঙ্কাও রয়েছে।

রাওয়ালপিন্ডিতে তিন দিনের জন্য জনসমাবেশ ও অস্ত্র প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এর আগে, পিটিআইয়ের সংসদীয় কমিটি জানায়, দলের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের সঙ্গে দীর্ঘদিন দেখা করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি) ও আদিয়ালা কারাগারের সামনে বিক্ষোভ করবে তারা।

২০২৩ সালের আগস্ট থেকে বিভিন্ন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ইমরান খান কারাবন্দী আছেন, যেগুলোকে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করছেন।

এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে এবং দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও জটিল হবে।

এই পরিস্থিতিতে সরকারকে সতর্ক থাকতে হবে এবং রাজনৈতিক সংঘাত এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোকেও সংযত থাকতে হবে এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য সচেষ্ট হতে হবে।

এই পরিস্থিতি দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে এবং সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন।

সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে একসাথে বসে কথা বলে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।

এই পরিস্থিতি থেকে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং জনগণে

৭১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: বিডি প্রতিদিন
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments