বাংলাদেশে নগদ লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি আইনি সীমারেখা রয়েছে। এই সীমারেখা অতিক্রম করলে করদাতাদের জন্য কর দায়বদ্ধতা বাড়তে পারে। আইন অনুযায়ী, যদি কেউ টাকা ৫ লাখের বেশি নগদ লেনদেন করে, তাহলে এটি অন্যান্য উত্স থেকে আয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এবং কর আরোপ করা হতে পারে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে। স্বামী, পিতামাতা, সন্তান বা ভাইবোনের কাছ থেকে নগদ গ্রহণ করা হলে, যদি লেনদেনটি উভয় পক্ষের আয়কর রিটার্নে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, তাহলে এটি করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচিত হবে না।
বাংলাদেশের আয়কর আইন ২০২৩-এর ৬৭(১৩) ধারায় এই বিধানটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার লক্ষ্য আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ টাকা ৫ লাখের বেশি অগ্রিম, ঋণ বা জমা গ্রহণ করে, তাহলে এটি অবশ্যই ব্যাংকের মাধ্যমে বা ক্রসড চেকের মাধ্যমে স্থানান্তর করতে হবে।
অন্যথায়, যদি লেনদেনটি নগদ করা হয়, তাহলে পরিমাণটি করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচিত হবে। অন্য কথায়, ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে টাকা ৫ লাখের বেশি নগদ লেনদেন সরাসরি করের আওতায় পড়বে।
এছাড়াও, একই আইনের ষষ্ঠ তফসিলের প্রথম অংশের ৩৫ ধারায় বলা হয়েছে যে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশ থেকে পাঠানো উপহারগুলি দাতার আয়কর রিটার্নে ঘোষণা করার প্রয়োজন নেই।
সবশেষে, এই আইনি বিধানগুলি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে করদাতারা তাদের আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
বাংলাদেশের আয়কর আইনের এই বিধানগুলি করদাতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই বিধানগুলি মেনে চললে করদাতারা তাদের আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং করের সাথে সম্পর্কিত সমস্যাগুলি এড়াতে পারবেন।
করদাতারা তাদের আয়কর রিটার্নে সঠিক তথ্য প্রদান করে এবং আইনি বিধানগুলি মেনে চলে তাদের আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এটি তাদের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং করের সাথে সম্পর্কিত সমস্যাগুলি এড়াতে সাহায্য করবে।
সবশেষে, বাংলাদেশের আয়কর আইনের এই বিধানগুলি করদাতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই বিধানগুলি মেনে চললে করদাতারা তাদের আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং করের সাথে সম্পর্কিত সমস্যাগুলি এড়াতে পারবেন। এটি তাদের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে সাহায্য করবে।



