ইউক্রেনে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ চলমান। গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে এই যুদ্ধ চলছে। গত এক বছরে, রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে তার নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে। এছাড়াও, রাশিয়া কিয়েভ ও অন্যান্য শহরে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
ইউক্রেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা একটি শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছেন। এই পরিকল্পনাটি রাশিয়ার পক্ষে বেশি অনুকূল। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, আলোচনাগুলো গঠনমূলক ছিল।
রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আরও আলোচনা হবে। এই পরিস্থিতিতে, ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে যা ঘটছে তা দেখা যাক। রাশিয়ার সামরিক বাহিনী লুহানস্ক ও দোনেতস্ক অঞ্চলে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অঞ্চলগুলোকে রাশিয়া নিজের দেশের অংশ করে নিতে চায়।
প্রাথমিক শান্তি পরিকল্পনায় ইউক্রেনকে লুহানস্ক, দোনেতস্ক ও ক্রিমিয়া অঞ্চলগুলো রাশিয়ার কাছে দিতে হবে। এছাড়াও, ইউক্রেনকে দোনেতস্ক অঞ্চলের কিছু অংশ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করতে হবে। এই অঞ্চলটি একটি নিরস্ত্র এলাকা হিসেবে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন কোনো অবস্থাতেই দোনবাস অঞ্চলটি রাশিয়ার কাছে দিতে পারে না। তিনি বলেছেন, এই অঞ্চলটি রাশিয়ার কাছে দিলে ভবিষ্যতে রাশিয়া আরও আক্রমণ করতে পারে।
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলমান। এই যুদ্ধের কারণে অনেক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এই যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছে। এই আলোচনার ফলে যুদ্ধ থামতে পারে। কিন্তু এই আলোচনার ফলাফল কী হবে তা এখনো অনিশ্চিত।
ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ একটি জটিল সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। এই সমস্যার সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।



