স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে কারও নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তিনি মঙ্গলবার সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবার জন্য প্রস্তুত আছে এবং বিশেষত যাদের জন্য দরকার, তাদের জন্য বিশেষ যেটা দেওয়া দরকার, ওটার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নির্ধারণ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে। তালিকা অনুসারে চূড়ান্ত সংখ্যা পরবর্তীতে জানানো হবে।
বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা নিয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এখানে সংখ্যা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নাই। আমাদের যতটা, প্রয়োজন অতটা কিনবো।
প্রয়োজনীয় সংখ্যার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কতগুলো সিক্রেট খবর থাকে, সব জানানো যায় না। আমাদের এখানে কী হাতিয়ার আছে…জানানো যায় না।
গণমাধ্যমকর্মীদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে কোনো আলোচনা হয়নি।
নির্বাচনের সময় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার ব্যাপারে মূলত আলোচনা হয়েছে, জানান তিনি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যে সংস্থা অথরাইজড তারা আড়ি পাতবে, আর যারা অথরাইজড না সে আড়ি পাতবে না।
পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পড়া শেষে মন্তব্য করবেন বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এই বক্তব্য রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মোড় নিতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে কোনো আলোচনা না হওয়ার কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এটি বিএনপির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
নির্বাচনের সময় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার ব্যাপারে মূলত আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দেয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যে সংস্থা অথরাইজড তারা আড়ি পাতবে, আর যারা অথরাইজড না সে আড়ি পাতবে না। এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোরতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়।
পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পড়া শেষে মন্তব্য করবেন বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এটি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সরকারের আগ্রহের ইঙ্গিত দেয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এই বক্তব্য রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মোড় নিতে পারে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে কোনো আলোচনা না হওয়ার কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এটি বিএনপির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
নির্বাচনের সময় সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার ব্যাপারে মূলত আলোচনা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দেয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যে সংস্থা অথরাইজড তারা আড়ি পাতবে, আর যারা



