ইরাকে দীর্ঘ দুই বছর আট মাস বন্দী থাকার পর একজন ইজরায়েল-রাশিয়ান নারী তার নির্যাতনের কাহিনী তুলে ধরেছেন। এলিজাবেথ তসুরকভ ২০২৩ সালের মার্চ মাসে বাগদাদে তার পিএইচডি গবেষণার জন্য কাজ করছিলেন। সেখানে তাকে অপহরণ করা হয় এবং তিন মাস পর্যন্ত তাকে খুব নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়।
তিনি বলেছেন, প্রথম মাসে তাকে খুব কম খাবার দেওয়া হতো এবং তাকে প্রশ্ন করা হতো। কিন্তু তারা তখনও তার ইজরায়েলি নাগরিকত্ব সম্পর্কে জানত না। তারা ধারণা করত যে সব বিদেশি মানুষই গুপ্তচর।
তসুরকভ বলেছেন, তারা তার ফোনে অ্যাক্সেস পাওয়ার পর তার ইজরায়েলি নাগরিকত্ব সম্পর্কে জানতে পারে। এরপর তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। তাকে বিদ্যুৎপূর্বক শক দেওয়া হয়, মারধর করা হয়, যৌন নির্যাতন করা হয়।
তিনি বলেছেন, তাকে প্রায়শই দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা হতো। তাকে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন করা হতো। তিনি বলেছেন, তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা খুব খারাপ।
তসুরকভ সেপ্টেম্বর মাসে মুক্ত হয়েছেন। তিনি বলেছেন, তার স্বাস্থ্য খুব ভালো নয়। তিনি বলেছেন, তাকে যে নির্যাতন করা হয়েছে তা তার জন্য খুব কঠিন ছিল।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। বিভিন্ন দেশ এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, এই ধরনের নির্যাতন কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই ঘটনাটি আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় যে, বিশ্বে এখনও মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। আমাদের এই ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার রক্ষার জন্য একসাথে কাজ করতে হবে।
এই ঘটনাটি আমাদেরকে আরও সচেতন করে তুলেছে। আমাদের এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করার জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের মানবাধিকার রক্ষার জন্য একসাথে কাজ করতে হবে।



