যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মধ্যে একটি ফোন কথোপকথন হয়েছে। এই কথোপকথনে ট্রাম্প মাদুরোর কয়েকটি অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন।
গত মাসে একটি সংক্ষিপ্ত ফোন কলে এই ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকে ভেনেজুয়েলার নেতার সামনে পদত্যাগ ও মার্কিন নিরাপত্তা নিশ্চয়তার অধীনে দেশত্যাগ করা ছাড়া অন্য বিকল্পগুলো ফিরে এসেছে।
কয়েক মাস ধরে ভেনেজুয়েলার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান চাপের পর ২১ নভেম্বর টেলিফোনে দুই নেতার মধ্যে ১৫ মিনিট ধরে ওই কথোপকথন হয়।
মাদুরো ট্রাম্পকে বলেন, তিনি ভেনেজুয়েলা ত্যাগ করবেন, যদি তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের পূর্ণ আইনি ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়, এর সঙ্গে সব মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক আদালতে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নেওয়া হয়।
ট্রাম্প এসব অনুরোধের অধিকাংশই প্রত্যাখ্যান করেন আর মাদুরোকে বলেন, তিনি পরিবারের সদস্যসহ ভেনেজুয়েলা ছেড়ে পছন্দের গন্তব্যে চলে যেতে এক সপ্তাহ সময় পাবেন।
ট্রাম্পের দেওয়া ওই ‘এক সপ্তাহ’ সময়কাল শুক্রবার শেষ হয়েছে। এরপর শনিবার ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেন।
রোববার ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে তিনি মাদুরোর সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে আর বিস্তারিত কিছু জানাননি।
এই ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ভেনেজুয়েলার জনগণ এই পরিস্থিতির জন্য উদ্বিগ্ন।
ভেনেজুয়েলার সরকার এই পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলগুলো এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে গেছে। ভেনেজুয়েলা এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্য চাইছে।
ভেনেজুয়েলার জনগণ এই পরিস্থিতির জন্য উদ্বিগ্ন। তারা এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য শান্তিপূর্ণ সমাধান চাইছে।
এই ঘটনার পর ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে গেছে। ভেনেজুয়েলা এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্য চাইছে।
ভেনেজুয়েলার জনগণ এই পরিস্থিতির জন্য উদ্বিগ্ন। তারা এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য শান্তিপূর্ণ সমাধান চাইছে।
এই ঘটনার পর ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হয়ে গেছে। ভেনেজুয়েলা এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্য চাইছে।



