বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পগুলোতে প্রতিযোগিতামূলক বিডিং পদ্ধতি গ্রহণের ফলে ট্যারিফ কমেছে, তবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতার ক্ষেত্রে প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো এখনও বিদ্যমান। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) কর্তৃক প্রকাশিত একটি নতুন অধ্যয়নে এই তথ্য উঠে এসেছে।
গতকাল ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের সমর্থনে অনুষ্ঠিত একটি জাতীয় সংলাপে এই অধ্যয়নটি উপস্থাপন করা হয়। এই অধ্যয়নে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের মার্চ মাসের মধ্যে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা অনুযায়ী ভাসানো ৫৫টি সৌরশক্তি প্রকল্পের দরপত্রগুলো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এই আইনগুলো পূর্বের কুইক এনহান্সমেন্ট অফ ইলেকট্রিসিটি অ্যান্ড এনার্জি সাপ্লাই (স্পেশাল প্রভিশন) অ্যাক্ট ২০১০-এর স্থলাভিষিক্ত হয়, যা অনুরোধহীন চুক্তির অনুমতি দিত।
সিপিডির গবেষণা পরিচালক খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম এই অনুষ্ঠানে বলেন, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পেলেও তা যথেষ্ট নয়। স্থানীয় কোম্পানিগুলোর জন্য বাধা, তথ্য অ্যাক্সেসের অভাব এবং কম আস্থা সহজ প্রতিযোগিতাকে বাধাগ্রস্ত করে। অধ্যয়নে দেখা যায়, ৪১ শতাংশ বিডার বিদ্যমান সংবেদনশীল তথ্য যেমন বিড মূল্যের লিক হয়েছে বলে জানিয়েছে, যখন মাত্র ৩০ শতাংশ বিশ্বাস করে যে মূল্যায়ন প্রক্রিয়াটি বেশিরভাগই স্বচ্ছ।
এই অধ্যয়নের ফলাফলগুলো বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য শক্তি খাতের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দেয়। এটি দেখায় যে, ট্যারিফ হ্রাস করা হলেও, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে আরও কাজ করা প্রয়োজন। এই খাতের উন্নয়নের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য শক্তি খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অনেক বড়। এই খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশটি তার শক্তি চাহিদা মেটাতে পারবে এবং পরিবেশগত প্রভাব কমাতে পারবে। তবে, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজন।
সিপিডির এই অধ্যয়নটি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য শক্তি খাতের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দেয়। এটি দেখায় যে, ট্যারিফ হ্রাস করা হলেও, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ক্ষেত্রে আরও কাজ করা প্রয়োজন। এই খাতের উন্নয়নের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করতে হবে।
অবশেষে, বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য শক্তি খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অনেক বড়। এই খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশটি তার শক্তি চাহিদা মেটাতে পারবে এবং পরিবেশগত প্রভাব কমাতে পারবে। তবে, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজন।



