দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে, তবে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। পহেলা ডিসেম্বর থেকে এই স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
গত চার মাসে এই বন্দর দিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৭০ মেট্রিকটন চাল আমদানি হয়েছে। দেশের চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে গত ১২ অগাস্ট ভারত থেকে চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। অনুমতির মেয়াদ শেষ হওয়ায় চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে।
চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেলেও অন্যান্য পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। হিলি স্থলবন্দরের বাজারে চালের দাম কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা ভারতীয় স্বর্ণা জাতের চাল খুচরা ৬৭ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে; যা আগে ছিল ৭২ টাকা।
আমদানিকারকরা বলেন, ক্রেতা সংকটের কারণেও চালের দাম কমিয়ে দিয়েছেন তারা। তারপরও ক্রেতা নেই। এতে তাদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে দেশের চালের বাজারে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তবে সরকারি হস্তক্ষেপে চালের বাজার স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের চাল উৎপাদনকারীদের জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তারা এখন তাদের পণ্য বাজারজাত করার সুযোগ পাবেন। তবে চালের দাম কমিয়ে দেয়ার জন্য সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। নচেত চালের দাম বেড়ে গেলে গরিব মানুষের জন্য চাল কেনা কঠিন হয়ে পড়বে।
চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে। চাল আমদানি থেকে যে রাজস্ব সরকার পেত তা এখন পাবে না। তবে দেশের চাল উৎপাদনকারীদের জন্য এটি একটি সুযোগ হতে পারে। তারা এখন তাদের পণ্য বাজারজাত করার সুযোগ পাবেন। এতে দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে দেশের চালের বাজারে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে গবেষণা করা প্রয়োজন। এতে দেশের চাল উৎপাদনকারীদের জন্য কীভাবে সুযোগ তৈরি করা যায় তা নিয়েও গবেষণা করা প্রয়োজন। এতে দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের চালের বাজারে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তবে সরকারি হস্তক্ষেপে চালের বাজার স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের চাল উৎপাদনকারীদের জন্য একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তারা এখন তাদের পণ্য বাজারজাত করার সুযোগ পাবেন।



