গত বছর সৈয়দপুরের সাইম আহমেদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য ৭০ লাখ টাকা খরচ করেছিলেন। কিন্তু তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর আটক হয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত ফিরে এসেছেন ঢাকায়।
সাইম আহমেদ বলেছেন, তিনি তার বাবার সমস্ত সঞ্চয় এবং তাদের জমি বিক্রি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য অর্থ জোগাড় করেছিলেন। কিন্তু এখন তিনি কী করবেন তা জানেন না।
নোয়াখালীর চাটখিলের নুর হোসেনও একই রকম অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি একজন দূর সম্পর্কীয় ভাইয়ের সাথে ৪০ লাখ টাকায় একটি চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু পরে তাকে আরও ২৫ লাখ টাকা দিতে হয়েছিল।
নুর হোসেন বলেছেন, তিনি ব্রাজিল, পেরু এবং বলিভিয়ার মধ্য দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তিনি গুয়াতেমালায় আটক হয়েছিলেন এবং পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর আবার আটক হয়েছিলেন।
সাইম আহমেদ এবং নুর হোসেন উভয়ই বলেছেন, তারা শুধু একটি ভালো ভবিষ্যতের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তারা প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং এখন তারা কী করবেন তা জানেন না।
এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করার জন্য সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে আমাদের পরবর্তী প্রতিবেদনে।



