বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অন্যান্য রোগী ও তাঁদের পরিবারের স্বাচ্ছন্দ্যে চলাফেরা নিশ্চিত করতে পুলিশ ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
খালেদা জিয়া হাসপাতালের চতুর্থ তলার একটি কেবিনে অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার কারণে সেই তলার পাশের কেবিনগুলো খালি করে দেওয়া হয়েছে। তিনি নভেম্বর ২৩ তারিখে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল।
বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারিক রহমান দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারিক রহমান সরকারের প্রদত্ত এককালীন ভ্রমণ অনুমতি গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন। বিএনপি নেতারা আশা করছেন, তারিক রহমানের জন্য শীঘ্রই একটি নতুন বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে বিএনপি নেতারা আশাবাদী। তাঁরা জানিয়েছেন, যদি চিকিৎসকরা তাঁকে লন্ডনে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পাঠানোর অনুমতি দেন, তাহলে তারিক রহমানকে তাড়াতাড়ি দেশে ফেরার প্রয়োজন হবে না। বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে বিএনপি নেতারা সতর্কভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা চাচ্ছেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল হওয়ার পরেই তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে যাওয়া হোক। বিএনপি নেতারা আশা করছেন, খালেদা জিয়া শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং দেশের রাজনীতিতে আবার ফিরে আসবেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে সরকার সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সরকার চাচ্ছে, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল হওয়ার পরেই তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে যাওয়া হোক। সরকার আশা করছে, খালেদা জিয়া শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং দেশের রাজনীতিতে আবার ফিরে আসবেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। বিএনপি নেতারা চাচ্ছেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল হওয়ার পরেই তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে যাওয়া হোক। বিএনপি নেতারা আশা করছেন, খালেদা জিয়া শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং দেশের রাজনীতিতে আবার ফিরে আসবেন।



