গুগলের একজন সিনিয়র নির্বাহী বলেছেন, কোম্পানির সবচেয়ে বড় সুযোগগুলির মধ্যে একটি হল ব্যবহারকারীদের আরও ভালভাবে চেনা এবং তাদের প্রতিক্রিয়াগুলি ব্যক্তিগত করা। এই প্রযুক্তির প্রতিশ্রুতি হল একটি এআই যা আপনাকে চেনে এবং তাই অনন্যভাবে সাহায্য করতে পারে। তবে এই প্রযুক্তির ঝুঁকিও রয়েছে, যেমন এটি পর্যবেক্ষণের মতো বেশি অনুভব করতে পারে।
গুগল ইতিমধ্যেই তার অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে এআই প্রযুক্তি একীভূত করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে, এটি ব্যক্তিগত ডেটা অন্য এআই পণ্যগুলিতে আনতে শুরু করেছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের ইমেল, নথি, ছবি, অবস্থানের ইতিহাস এবং ব্রাউজিং আচরণ সম্পর্কে আরও ভালভাবে জানতে পারে।
গুগলের লক্ষ্য হল এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য আরও ব্যক্তিগত এবং সাহায্যকারী করা। এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের পছন্দ এবং আচরণ সম্পর্কে আরও ভালভাবে জানতে পারে এবং তাদের প্রয়োজন অনুসারে পরামর্শ দিতে পারে।
এই প্রযুক্তির সুবিধাগুলি অনেক, তবে এটির ঝুঁকিও রয়েছে। ব্যবহারকারীদের উচিত সতর্ক থাকা এবং তাদের ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত রাখার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।
গুগলের এআই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আমাদের জীবনকে আরও সহজ এবং সুবিধাজনক করতে পারে। তবে, আমাদের উচিত এই প্রযুক্তির ঝুঁকিগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং আমাদের ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত রাখার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।
গুগলের এআই প্রযুক্তি একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে, যেখানে প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে আরও সহজ এবং সুবিধাজনক করতে পারে। তবে, আমাদের উচিত এই প্রযুক্তির ঝুঁকিগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং আমাদের ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত রাখার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।
গুগলের এআই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আমাদের জীবনকে আরও সহজ এবং সুবিধাজনক করতে পারে। তবে, আমাদের উচিত এই প্রযুক্তির ঝুঁকিগুলি সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং আমাদের ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত রাখার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।



