মানিকগঞ্জ জেলা শহরের পশ্চিম সিওটা এলাকায় অবস্থিত জুলাই শহিদ স্মৃতিসৌধে অপরাধীরা অগ্নিসংযোগ করেছে। এই ঘটনাটি গতকাল সকালে ঘটেছে। পুলিশ সূত্র মতে, তিনজন অপরাধী একটি কালো গাড়িতে করে স্মৃতিসৌধে এসেছিল। তারা পার্শ্ববর্তী গাড়ি থেকে টায়ার সংগ্রহ করে স্মৃতিসৌধের কাছে নিয়ে এসেছিল। তারপর তারা টায়ারে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ করেছে।
পুলিশ ঘটনাটি জেনে দ্রুত স্মৃতিসৌধে পৌঁছে অগ্নিনির্বাপণ করেছে। স্থানীয় লোকজনও পুলিশের সাহায্য করেছে। স্মৃতিসৌধটি লোহার তৈরি ছিল এবং অগ্নিসংযোগের ফলে এটি কালো হয়ে গেছে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ছাত্রদের মতে, এটি একটি পরিকল্পিত অপরাধ।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাই শহিদ স্মৃতিসৌধটি পাঁচজন শহিদের স্মরণে নির্মিত হয়েছিল। গত বছর ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের পর এই স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হয়েছিল।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ জনগণকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করেছে।
স্থানীয় জনগণ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে যে দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে।
এই ঘটনার পর থেকে এলাকাটি পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে। পুলিশ জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
এই ঘটনার বিচার চলছে। আদালত দোষীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। তারা নিরাপত্তার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধ করেছে।
পুলিশ জনগণকে নিশ্চিত করেছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা দোষীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ সতর্ক। তারা পুলিশের সাহায্য করছে।
পুলিশ জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। তারা বলেছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ আশাবাদী। তারা বিশ্বাস করে যে পুলিশ দোষীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ ঐক্যবদ্ধ। তারা পুলিশের সাহায্য করছে।
পুলিশ জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। তারা বলেছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ সতর্ক। তারা পুলিশের সাহায্য করছে।
পুলিশ জনগণকে নিশ্চিত করেছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা দোষীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ আশাবাদী। তারা বিশ্বাস করে যে পুলিশ দোষীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ ঐক্যবদ্ধ। তারা পুলিশের সাহায্য করছে।
পুলিশ জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। তারা বলেছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ সতর্ক। তারা পুলিশের সাহায্য করছে।
পুলিশ জনগণকে নিশ্চিত করেছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে। তারা দোষীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ আশাবাদী। তারা বিশ্বাস করে যে পুলিশ দোষীদের শাস্তি দেবে।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ ঐক্যবদ্ধ।



