টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে একটি স্পিডবোট ডুবে যাওয়ার ঘটনায় একজন মা ও তার পাঁচ বছরের মেয়ে নিহত হয়েছে। এই দুর্ঘটনা ঘটেছে নাফ নদীর মোহনায়, যখন সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে যাওয়ার পথে স্পিডবোটটি উল্টে যায়।
নিহত মা-মেয়ের নাম মরিয়ম খাতুন ও মাহিমা। তারা সেন্টমার্টিন দ্বীপের পূর্বপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম এই ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, স্পিডবোটটি শক্তিশালী ঢেউয়ের আঘাতে উল্টে যায়। অন্য একটি নৌযান ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং অনেক যাত্রীকে উদ্ধার করে, কিন্তু মা-মেয়ে দুজনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
মরিয়মের ভাই বশির আহমেদ বলেছেন, তিনি তার বোন ও ভাতিজির সাথে একই স্পিডবোটে যাত্রা করছিলেন। তারা যখন দুর্ঘটনার শিকার হন, তখন তিনি তাদের বাঁচাতে পারেননি। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ডাক্তার আসিফ আলভী বলেছেন, মা-মেয়ে দুজনই হাসপাতালে আনার আগেই মারা গিয়েছিলেন। দুর্ঘটনায় দুজন আহত হয়েছিলেন, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাকিব হাসান চৌধুরী বলেছেন, দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত চলছে।
এই দুর্ঘটনার ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল তৎপর হয়েছে। স্থানীয় জনগণও এই দুর্ঘটনায় শোকাহত। এই দুর্ঘটনা আমাদেরকে আবারও সতর্ক করে তুলেছে যে, সমুদ্রে নৌযান চলাচল করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।
এই দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল ঘটনার সঠিক কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। এই দুর্ঘটনায় নিহত মা-মেয়ের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।
এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় জনগণ সমুদ্রে নৌযান চলাচল সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছে। তারা সমুদ্রে নৌযান চলাচল করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করছে। স্থানীয় প্রশাসনও সমুদ্রে নৌযান চলাচল নিরাপদ করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে।



