বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি টেকসই করতে পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, সরবরাহ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন। এই মতামত প্রকাশ করেছেন বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
সোমবার পূর্বাচলের বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ২০২৫ ঢাকা’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞ, নির্মাতা, নীতিনির্ধারক, বিনিয়োগকারী ও উদ্ভাবকদের জন্য আইডিয়া শেয়ার, অর্থপূর্ণ আলোচনা, সহযোগিতা এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবসায়িক অংশীদারিত্বের সুযোগ তৈরি করবে।
বাংলাদেশ শিগগিরই স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ করতে চলেছে। এই প্রেক্ষিতে দেশের রপ্তানি খাতের পণ্য বৈচিত্র্যকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের আটটি গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতের পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। খাতগুলো হলো তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, কৃষিজাত পণ্য, প্লাস্টিক ও কিচেনওয়্যার, হোম ডেকর ও ফার্নিচার, ওষুধ এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি)।
এই প্রদর্শনীতে শতাধিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি, পাইকারি ব্যবসায়ী ও সরবরাহ খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। আফগানিস্তান, চীন, ইরান, জাপান, মিয়ানমার, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের ক্রেতা, বিনিয়োগকারী ও সোর্সিং প্রতিষ্ঠান এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে। তারা পণ্য ও সেবা নিয়ে সভা, ক্রয় ও বিক্রয় চুক্তি সম্পাদন করবেন।
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনা তুলে ধরতে রাজধানীতে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’, যা আজ থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই প্রদর্শনী আয়োজন করেছে।
এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির পাশাপাশি বিদেশি কোম্পানিগুলোও অংশ নিচ্ছে। এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা বিদেশি ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পণ্যের গুণমান ও বৈচিত্র্য তুলে ধরবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত ড. লুতফে সিদ্দিকী।
এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা বিদেশি ক্রেতাদের কাছে বাংলাদেশের পণ্যের গুণমান ও বৈচিত্র্য তুলে ধরবে। এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি



