বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট গত বছর উন্নত হয়েছে। এটি ঘটেছে রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধির কারণে। যদিও বাণিজ্য খাতে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে।
গত বছর রপ্তানি ও আমদানি উভয় ক্ষেত্রেই ওঠানামা দেখা দিয়েছে। এপ্রিল ও জুন মাসে রপ্তানি হ্রাস পায়, কিন্তু পরবর্তী সময়ে আবার বাড়তে থাকে। গার্মেন্টস শিল্পের রপ্তানি মাঝবর্তী সময়ে হ্রাস পায়, তবে পরে আবার বাড়তে থাকে।
বাংলাদেশের মোট রিজার্ভ গত বছর বেড়েছে। নভেম্বর ২০২৪ সালে মোট রিজার্ভ ছিল ২৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার, যা অক্টোবর ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২.৩৪ বিলিয়ন ডলার। এছাড়াও, বিপিএম৬ রিজার্ভ নভেম্বর ২০২৪ সালে ১৮.৬১ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে অক্টোবর ২০২৫ সালে ২৭.৫৮ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।
রেমিট্যান্সও বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গত বছর রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। মার্চ, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর ২০২৪ সালে এবং মে ও অক্টোবর ২০২৫ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেশি ছিল। অক্টোবর ২০২৫ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ২.৫৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের তুলনায় বেশি।
বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট উন্নত হয়েছে রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধির কারণে। যদিও বাণিজ্য খাতে অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে, তবে রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের জন্য ইতিবাচক লক্ষণ।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট কেমন হবে তা নির্ভর করবে রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধির উপর। যদি রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তবে বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট আরও উন্নত হবে। কিন্তু যদি রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হ্রাস পায়, তবে বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট খারাপ হবে।
বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট উন্নত করার জন্য সরকারকে রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য কাজ করতে হবে। এছাড়াও, সরকারকে বাণিজ্য খাতে অস্থিতিশীলতা কমানোর জন্য কাজ করতে হবে। যদি সরকার এই কাজগুলো করতে পারে, তবে বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট আরও উন্নত হবে।
বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট উন্নত করার জন্য বেসরকারি খাতকেও কাজ করতে হবে। বেসরকারি খাতকে রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর জন্য কাজ করতে হবে। এছাড়াও, বেসরকারি খাতকে বাণিজ্য খাতে অস্থিতিশীলতা কমানোর জন্য কাজ করতে হবে। যদি বেসরকারি খাত এই কাজগুলো করতে পারে, তবে বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট আরও উন্নত হবে।
উপসংহারে, বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট উন্নত করার জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করতে হবে। রিজার্ভ ও রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং বাণিজ্য খাতে অস্থিতিশীলতা কমানোর জন্য কাজ করতে হবে। যদি সরকার ও বেসরকারি খাত এই কাজগুলো করতে পারে, তবে বাংলাদেশের বাহ্যিক খাতের দৃশ্যপট আরও উন্নত হবে।



