ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, মেট্রোরেলের ছাদে কিশোর উঠে পড়ার ঘটনা ‘স্যাবোটাজ’ কিনা তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত করে দেখছে। তিনি বলেন, ছাদে ওঠার ঘটনায় একজনকে পাওয়া গেলেও আরও কেউ সঙ্গে ছিল কি না—তা জানতে পুলিশ তদন্ত করছে।
গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে রাজধানীর সচিবালয় রেলস্টেশনে মেট্রোরেলের দুই কোচের মাঝখান দিয়ে এক কিশোর ছাদে উঠে পড়ে। এতে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর রাতে আর ট্রেন চালু হয়নি। ফারুক আহমেদ বলেন, একটা ছেলে দরজা দিয়ে প্রবেশ না করে কোনো একটি জায়গা দিয়ে ছাদে উঠে গিয়েছে। তার উদ্দেশ্য কী ছিল, সেটা জানা যায়নি।
মেট্রোরেলের ছাদে ঠিক কতজন উঠেছিল—তা এখনো নিশ্চিত নয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, কয়জন ছিল, এটা এখনো জানা যায়নি। এখনো আমরা বের করতে পারিনি। কারণ, কয়েকজন যাত্রী দুজনের কথা বলেছিলেন। এ জন্য গতকাল ও আজ ভোরে সুইপিং ট্রেন চালিয়ে দেখা হয়েছে, আর কেউ আছে কিনা।
নিরাপত্তা বাড়াতে মেট্রোরেলের স্টেশনগুলোর নিচে সিসি ক্যামেরা লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে কোনো ঘটনার উৎস বোঝা যাবে। স্যাবোটাজ আছে কি না-সেটাও বোঝা যাবে। মেট্রোরেলের লাইনের ওপর গত সপ্তাহে ড্রোন ফেলা হয়েছিল। গত কিছুদিনে সব মিলিয়ে সাতটা ককটেল পাওয়া গেছে।
মেট্রোরেলের ছাদে কিশোর উঠে পড়ার ঘটনায় তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তবে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর রাতে আর ট্রেন চালু হয়নি। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাড়াতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মেট্রোরেলের ছাদে কিশোর উঠে পড়ার ঘটনায় তদন্ত চলছে। এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। তবে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর রাতে আর ট্রেন চালু হয়নি। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাড়াতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মেট্রোরেলের লাইনের ওপর গত সপ্তাহে ড্রোন ফেলা হয়েছিল। গত কিছুদিনে সব মিলিয়ে সাতটা ককটেল পাওয়া গেছে।



