সেন্টমার্টিন থেকে শাহপরীর দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল একটি স্পিডবোট। স্পিডবোটটি শাহপরীর দ্বীপের ঘোলাচর এলাকার কাছাকাছি পৌঁছালে আচমকা উল্টে যায়। এতে স্পিডবোটে থাকা ৮ জন যাত্রী সাগরে পড়ে যান।
দুর্ঘটনার পর সবাইকে উদ্ধার করা হলেও দুজন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মৃত যাত্রীদের মধ্যে একজন মা এবং তার শিশু সন্তান। মৃত মায়ের নাম মরিয়ম বেগম এবং তার শিশু সন্তানের নাম মায়মা। তারা সেন্টমার্টিনের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শাহপরীর দ্বীপ ঘোলাচরে যাত্রীবাহী একটি স্পিডবোট ডুবে মা-মেয়ে দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর সবাইকে উদ্ধার করা হলেও মরিয়ম বেগম ও তার শিশু মায়মাকে গুরুতর অবস্থায় টেকনাফ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে দুজনই মারা যান।
দুর্ঘটনার পর অন্য যাত্রীদের মধ্যে দুজন অসুস্থ হলেও বাকিরা সুস্থ আছেন বলে জানা গেছে। এই দুর্ঘটনার কারণ এখনও পরিষ্কার নয়। তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।
সেন্টমার্টিন থেকে শাহপরীর দ্বীপে যাত্রা করার সময় এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এই দুর্ঘটনার পর স্পিডবোট চালকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য সরকারি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর মৃত যাত্রীদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হচ্ছে। তাদের ক্ষতি কমানোর জন্য সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এই দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার কারণ পরিষ্কার হবে। এছাড়াও দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
সেন্টমার্টিন থেকে শাহপরীর দ্বীপে যাত্রা করার সময় সতর্ক থাকা উচিত। এই দুর্ঘটনার পর স্পিডবোট চালকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য সরকারি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।



