বাংলাদেশে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশই সমকামী। এইচআইভি আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই বিদেশ থেকে এ রোগ নিয়ে আসে।
বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে এইচআইভি বা এইডস সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।
ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে বর্তমানে এইডস রোগীদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। চলতি বছর এখানে প্রায় ৩০০ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন এবং বর্তমানে ভর্তি আছেন ১২ জন। সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বলেন, রোগীরা খুব খারাপ অবস্থায় হাসপাতালে আসেন।
দেশব্যাপী শনাক্তকরণ কেন্দ্রগুলোতেও কিট সংকট দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা জানান, কিট আসতে দেরি হয়েছে, তবে কয়েক দিনের মধ্যে তা পৌঁছে যাবে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে এইডসে আক্রান্ত হয়েছে ১৪৩৮ জন এবং মারা গেছেন ১৯৫ জন। ২০২৩ সালে আক্রান্ত হয়েছিলেন ১২৭৬ জন, মৃত্যু হয়েছে ২৬৬ জনের। চলতি বছর আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০০ ছাড়াতে পারে।
চিকিৎসকরা মনে করিয়ে দেন, একই বেডে ঘুমানো বা একই প্লেটে খাওয়ার মাধ্যমে এইডস ছড়ায় না। চিকিৎসার মাধ্যমে এইচআইভি রোগীরাও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।
এইচআইভি আক্রান্তদের সংখ্যা কমাতে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। সরকার এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের প্রচেষ্টায় জনসাধারণকেও এগিয়ে আসতে হবে। এইচআইভি আক্রান্তদের সহায়তা করে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করে আমরা এই রোগটি নির্মূল করতে পারি।
আপনি কি এইচআইভি সম্পর্কে আরও জানতে চান? আপনার প্রশ্ন এবং উদ্বেগ আমাদের জানান।



