খুলনার সেনহাটি গ্রামের এক পরিবারের বিষাদগাথা এখনও মনে পড়ে দেয় মুক্তিযুদ্ধের সেই সময়কার কথা। আবদুস সালাম খান নামের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা তার মেয়ে রেহানাকে হারিয়েছিলেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে।
রেহানা ছিল মাত্র চার মাসের। তার বাবা আবদুস সালাম খান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের এক সক্রিয় সংগঠক। তিনি গ্রামের তরুণদের সংগঠিত করে তাদের যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য প্রশিক্ষণ দিতেন। এই কারণে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাকে লক্ষ্য করে।
১৯৭১ সালের ৩০ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আবদুস সালাম খানের বাড়িতে হামলা করে। তারা রেহানাকে বাড়ির উঠানে আছাড় দিয়ে বুটের তলায় পিষে হত্যা করে। এই ঘটনার পর আবদুস সালাম খান গভীর রাতে বাড়িতে এসে রেহানার রক্তাক্ত মরদেহটি ধুয়েমুছে পরিচ্ছন্ন করে বাড়ির পাশের রূপসা নদীতে ভাসিয়ে দেন।
মুক্তিযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর আবদুস সালাম খান ফিরে এলেন রণাঙ্গন থেকে। কিন্তু তার মেয়ে রেহানা তখন আর ছিল না। তিনি রেহানার স্মৃতিরক্ষার জন্য তার জামাটি কাচের ফ্রেমে বাঁধিয়ে রেখেছিলেন। পরে তিনি এই জামাটি মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের কাছে দিয়েছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক জানিয়েছেন, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করার পর তারা দেশের বিভিন্ন এলাকায় সফর করেছিলেন। সেখানে তারা সুধী সমাবেশ করেছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত নিদর্শনগুলো সংগ্রহ করেছিলেন। আবদুস সালাম খান তাদের কাছে রেহানার জামাটি দিয়েছিলেন।
এই ঘটনাটি মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতার প্রতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতার এক উদাহরণ। আবদুস সালাম খানের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
আবদুস সালাম খানের ঘটনাটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আমাদের দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছিল তার একটি স্মরণীয় উদাহরণ।
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে রেহানার জামাটি এখনও সংরক্ষিত আছে। এটি মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতার প্রতি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতার এক স্মারক।
আবদুস সালাম খানের ঘটনাটি আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছিল তার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি আমাদেরকে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যে লড়াই লড়তে হয়েছিল তার কথা মনে করিয়ে দেয়।
আমরা আবদুস সালাম খানের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের ত্যাগ আমাদেরকে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে সাহায্য করেছে।
আমরা আশা করি যে আবদুস সালাম খানের ঘটনাটি আমাদেরকে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যে লড়াই লড়তে হয়েছিল তার কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। এটি আমাদেরকে দেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছিল তার কথা মনে করিয়ে দেবে।
আমরা আবদুস সালাম খানের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। তাদের ত্যাগ আমাদেরকে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে সাহায্য করেছে।
আমরা আশা করি যে আব



