যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস সম্প্রতি বাজেটের আগে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি সবসময়ই সততার সাথে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছেন।
চ্যান্সেলর রিভস বিবিসির একটি অনুষ্ঠানে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি কখনই জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেননি। তিনি বলেছেন, তিনি সবসময়ই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রদান করেছেন।
কনজারভেটিভ দলের নেতা কেমি ব্যাডেনচ চ্যান্সেলর রিভসকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চ্যান্সেলর রিভস জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন এবং তার পদত্যাগ অপরিহার্য।
চ্যান্সেলর রিভস বলেছেন, তিনি কখনই জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেননি। তিনি বলেছেন, তিনি সবসময়ই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমারের সাথে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমার চ্যান্সেলর রিভসকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেছেন, চ্যান্সেলর রিভস দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন, চ্যান্সেলর রিভসের সিদ্ধান্তগুলি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করবে।
এই ঘটনার পরে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। কনজারভেটিভ দল চ্যান্সেলর রিভসকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমার চ্যান্সেলর রিভসকে সমর্থন করেছেন। এই ঘটনার পরে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকে উদ্বিগ্ন।
চ্যান্সেলর রিভস বলেছেন, তিনি দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সত্য তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি কখনই জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেননি। তিনি বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমারের সাথে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
এই ঘটনার পরে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকে উদ্বিগ্ন। কনজারভেটিভ দল চ্যান্সেলর রিভসকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী স্যার কেয়ার স্টারমার চ্যান্সেলর রিভসকে সমর্থন করেছেন। এই ঘটনার পরে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনেকে উদ্বিগ্ন।



