সুদানের গৃহযুদ্ধের একটি ভয়াবহ অধ্যায় হলো এল-ফাশের পতন। এই শহরটি দেশের পশ্চিম দারফুর অঞ্চলে অবস্থিত। এল-ফাশের পতনের পর শরণার্থীরা তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন।
আবদুলকাদির আবদুল্লাহ আলি নামের একজন ৬২ বছর বয়সী ব্যক্তি এল-ফাশের পতনের সময় তার পরিবারের সাথে শহর ছেড়েছিলেন। তিনি তার ডায়াবেটিসের চিকিত্সা পাননি এবং তার পায়ে গুরুতর স্নায়ুর ক্ষতি হয়েছে। তিনি একটি ভারী ল্যাঙ্গুল দিয়ে হাঁটেন, কিন্তু যখন রয়েল সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) শহরটি দখল করে, তখন তিনি তার পরিবারের সাথে পালিয়ে যান।
এল-ফাশের পতনের পর শরণার্থীরা উত্তর সুদানের একটি শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। এই শিবিরটি সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় অবস্থিত। শরণার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। তারা বলছেন যে আরএএফ যোদ্ধারা বেসামরিক লোকদের উপর গুলি চালাচ্ছিল এবং তাদের গাড়ি দিয়ে কুচিয়ে দিচ্ছিল।
সুদানের গৃহযুদ্ধ এপ্রিল ২০২৩ সালে শুরু হয়েছিল। আরএএফ এবং সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি ক্ষমতা সংগ্রামের ফলে এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এল-ফাশের পতন আরএএফ-এর জন্য একটি বড় বিজয়। এই শহরটি ছিল সেনাবাহিনীর দারফুর অঞ্চলের শেষ ঘাঁটি।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এল-ফাশের পতনের পর ঘটে যাওয়া নৃশংসতার নিন্দা জানিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘর্ষের সমাধানের জন্য আরও মনোযোগ দিচ্ছে।
শরণার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। তারা বলছেন যে তারা তাদের জীবন বাঁচাতে পারলেও তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তারা এখন উত্তর সুদানের একটি শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে।
সুদানের গৃহযুদ্ধ একটি জটিল সমস্যা। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই সংঘর্ষের সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে। শরণার্থীদের সাহায্য করা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সুদানের গৃহযুদ্ধের সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একসাথে কাজ করতে হবে। শরণার্থীদের সাহায্য করা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি যে সুদানের গৃহযুদ্ধের সমাধান শীঘ্রই হবে এবং শরণার্থীরা তাদের দেশে ফিরে যেতে সক্ষম হবেন।
সুদানের গৃহযুদ্ধ একটি মানবিক বিপর্যয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই সংঘর্ষের সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে। শরণার্থীদের সাহায্য করা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি যে সুদানের গৃহযুদ্ধের সমাধান শীঘ্রই হবে এবং শরণার্থীরা তাদের দেশে ফিরে যেতে সক্ষম হবেন।



