পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদনে ভারতের যোগসাজশের প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে। কমিশনের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা হওয়ার কথা তুলে ধরে এর সঙ্গে ভারতীয় যোগসাজশ থাকার তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরকে দুর্বল করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের প্রমাণ ও তথ্য-উপাত্ত পাওয়ার কথা তুলে ধরেন।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী কারা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, শেখ সেলিম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মির্জা আজম, সাহারা খাতুন, জেনারেল তারেক সিদ্দিকী, তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মঈন ইউ আহমেদ, তৎকালীন ডিজিএফআই এর প্রধান মেজর জেনারেল আকবর জড়িত ছিলেন।
পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারিতে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এই ঘটনায় ভারতীয়দের ভূমিকা থাকার প্রমাণ পাওয়ার কথা তুলে ধরে কমিশন প্রধান বলেন, ওই সময় ৯২১ জনের মতো ভারতীয় দেশে এসেছিল। তার মধ্যে ৬৭ জন ভারতীয়র হিসাব মিলছে না।
এই ঘটনার পর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মামলা ও বিচার কার্যক্রম চলে। ক্ষমতার পালাবদলে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ওই ঘটনা পুনঃতদন্তের দাবি ওঠে।
প্রতিবেশী দেশ বলতে কাকে বোঝাচ্ছেন প্রশ্নের জবাবে ফজলুর রহমান বলেন, আমরা ভারতকে বুঝিয়েছি, যেখানে আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দলবলসহ আশ্রয় নিয়েছিলেন।
এই ঘটনার পর দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোড়ন তোলা বিডিআর বিদ্রোহকে ঘিরে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তন হয়েছে।
এই ঘটনার পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে এবং বিডিআর বিদ্রোহের বিচার শুরু হয়। এই বিচারে অনেক সেনা কর্মকর্তা ও বিডিআর সদস্যদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়।
এই ঘটনার পর দেশের সেনাবাহিনী ও বিডিআরের মধ্যে সম্পর্ক অনেক পরিবর্তন হয়েছে। সেনাবাহিনী ও বিডিআর এখন একসাথে কাজ করছে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়। সেনাবাহিনী ও বিডিআর এখন একসাথে কাজ করছে এবং দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।



