বাংলাদেশ জুনিয়র হকি দল ফিএইচআই হকি মেন’স জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-২১) বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এক অসাধারণ ফাইটব্যাক করেছে। রবিবার তামিলনাড়ুর মেয়র রাধাকৃষ্ণণ হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় পুল এফ ম্যাচে বাংলাদেশ তিন গোল পিছিয়ে থেকেও ৩-৩ গোলে ড্র করেছে।
পেনাল্টি কর্নার বিশেষজ্ঞ আমিরুল ইসলাম আবারও নায়ক হয়েছেন, তিন পেনাল্টি কর্নার গোল করে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছেন। এটি তার দ্বিতীয় ধারাবাহিক হ্যাটট্রিক, আগের দিন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও তিনি তিন গোল করেছিলেন। এই অর্জনের ফলে আমিরুল টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন, নিউজিল্যান্ডের জন্টি এলমসের সাথে ছয় গোল নিয়ে শীর্ষস্থান অর্জন করেছেন।
বাংলাদেশ জুনিয়র হকি দল পুল এফ-এর দলগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়াকে প্রথম দিন থেকেই টার্গেট করেছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল পুলে তৃতীয় স্থান অর্জন করা এবং ক্লাসিফায়ার ম্যাচে একটি ভালো র্যাঙ্কিং অর্জন করা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচের ভালো পারফরম্যান্সের পর এই লক্ষ্য আরও সম্ভব মনে হচ্ছিল। দক্ষিণ কোরিয়া ফ্রান্সকে ১১-১ গোলে হারিয়েছিল, যা বাংলাদেশের আশাকে আরও বাড়িয়েছিল।
তবে, ম্যাচের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়া আগ্রাসী হয়েছিল। মিনহিয়ক লি অষ্টম মিনিটে একটি পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেছিলেন। পাঁচ মিনিট পরে, সুনঘান সন আরেকটি পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে দক্ষিণ কোরিয়ার লিড দ্বিগুণ করেছিলেন। মিনহিয়ক লি আবার একটি পেনাল্টি স্ট্রোক থেকে গোল করে দক্ষিণ কোরিয়াকে ৩-০ এ এগিয়ে নিয়েছিলেন।
বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে অসাধারণ ফাইটব্যাক করেছে। আমিরুল ইসলামের ড্রাগ-ফ্লিকগুলি বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেছে। ৩৬তম, ৪৬তম এবং ৫৬তম মিনিটে তিনি গোল করেছেন, যা বাংলাদেশকে ৩-৩ গোলে ড্র করতে সাহায্য করেছে।
এই ম্যাচের ফলে বাংলাদেশ জুনিয়র হকি দল পুল এফ-এ তাদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে। তাদের পরবর্তী ম্যাচগুলি কতটা গুরুত্বপূর্ণ হবে তা দেখা যাবে। বাংলাদেশ জুনিয়র হকি দল তাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে এবং তাদের সমর্থকদের আশা ও উত্তেজনাকে ধরে রাখবে।



