বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক দ্বিতীয় শেখ হাসিনা ইস্যুতে আটকে যাবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ তার দাবি অনুযায়ী টিস্তা জল বণ্টন চুক্তি ও সীমান্তে হত্যার অবসান ঘটানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ‘ডিসিএবি টক’ অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই কথা বলেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দণ্ডিত হয়েছেন, তাই তার প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। তবে অন্যান্য বিষয় এই ইস্যুতে আটকে যাবে না।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সাথে একটি ভালো কাজের সম্পর্ক গড়ে তোলার ইচ্ছা পোষণ করে। তিনি বলেন, পূর্বতন সরকারের সময় দুই দেশের মধ্যে একটি সম্পর্ক ছিল, তবে জনগণের ভূমিকা সীমিত ছিল।
তিনি বলেন, পূর্বতন সরকার ১৫ বছরে টিস্তা ও সীমান্তে হত্যার বিষয়টি সমাধান করতে পারেনি। তিনি বলেন, তিনি এটাকে একটি উষ্ণ সম্পর্ক বলতে চান না, তবে একটি সম্পর্ক ছিল।
পাকিস্তানের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পাকিস্তানের সাথে একটি স্বাভাবিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের স্বার্থে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক একটি জটিল বিষয়। দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় রয়েছে যা সমাধান করা প্রয়োজন। টিস্তা জল বণ্টন চুক্তি ও সীমান্তে হত্যার বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে একটি বড় সমস্যা।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে বাংলাদেশ ভারতের সাথে একটি ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলার ইচ্ছা পোষণ করে। তবে দুই দেশের মধ্যে অনেক বিষয় রয়েছে যা সমাধান করা প্রয়োজন। দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নত করার জন্য দুই দেশকে একসাথে কাজ করতে হবে।



