নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার আগে সার্বিক কাজের সমন্বয়, নিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট ৩৪ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে আরেক দফা বৈঠক করেছে কমিশন।
এই বৈঠকে জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট একসাথে করতে একটি ভোট কক্ষে, দুটি গোপন বুথ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রবিবার ৩৪ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।
আখতার আহমেদ বলেছেন, আগামী বছরে জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট মিলে সবচেয়ে বড় নির্বাচন হবে। মাঠ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কথা এবং কাজের সমন্বয় চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।
তিনি বলেছেন, যারা নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন করবেন তাদের ভাতা বাড়ানো হয়েছে, যাতে করে স্থানীয় রাজনৈতিক কোনো ব্যক্তির আতিথেয়তা তারা গ্রহণ না করেন।
ভোট দেওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত এক লাখের মতো প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন জানিয়ে আখতার আহমেদ বলেছেন, মক ভোটিংয়ের ফলাফল থেকে কমিশন মনে করে ভোট কেন্দ্র কিংবা ভোট কক্ষ বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র গোপন কক্ষ বাড়ালেই হবে।
এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক আছে এবং বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা থাকবেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে ভোটারদের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এটি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ করে তুলবে।
নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করতে পারে। কিছু দল এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করতে পারে, অন্যদিকে কিছু দল এর বিরোধিতা করতে পারে।
আগামী নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের এই প্রস্তুতি ভোটারদের মধ্যে আশার সঞ্চার করবে। এটি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও গণতান্ত্রিক এবং স্বচ্ছ করে তুলবে।
এই নির্বাচনে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ করে তুলবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে ভোটারদের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এটি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ করে তুলবে।
নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করতে পারে। কিছু দল এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করতে পারে, অন্যদিকে কিছু দল এর বিরোধিতা করতে পারে।
আগামী নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের এই প্রস্তুতি ভোটারদের মধ্যে আশার সঞ্চার করবে। এটি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও গণতান্ত্রিক এবং স্বচ্ছ করে তুলবে।
এই নির্বাচনে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সক্ষম হবেন। নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ করে তুলবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত থেকে বোঝা যায়, আগামী নির্বাচনে ভোটারদের গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত ক



