আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানকে তথাকথিত বলা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। তিনি বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আজকের এই রাষ্ট্র যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, তা অর্জিত। সেই মহান অর্জনকে তথাকথিত বলা আদালত অবমাননার শামিল।
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম রোববার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে আইনসম্মতভাবে সমালোচনা বা দ্বিমত করার সুযোগ রয়েছে, কিন্তু বিচারপ্রক্রিয়া কিংবা রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার অধিকার কারও নেই।
জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর একটি রিভিউ আবেদনকে কেন্দ্র করে চিফ প্রসিকিউটরের এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে তথাকথিত উল্লেখ করে বিচার শুরুর আদেশের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করেছিলেন ইনু। রোববার ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল সেই আবেদনটি খারিজ করে দেন।
ট্রাইব্যুনাল ইনুর আইনজীবীদের ভর্ৎসনা করে বলেন, এ ধরনের মন্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। এরপর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ইনুর বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং আদালত সোমবার থেকে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন।
গত ২ নভেম্বর সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্টে গণহত্যায় উসকানি ও ষড়যন্ত্রসহ সুনির্দিষ্ট আটটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন অভিযোগ পড়ে শোনানো হলে ইনু নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং তার আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, এই ট্রাইব্যুনাল সংবিধানের অধীনে প্রতিষ্ঠিত এবং বিশেষ আইন দ্বারা সুরক্ষিত। তাই আইনকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে দাঁড়িয়ে কোনো কথা বলার সুযোগ আসামিপক্ষের নেই। তবে আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণের সব সুযোগ পাবেন এবং প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য-প্রমাণ চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। তারা আরও বলছেন, এই ঘটনার পর সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হয়ে উঠবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নিশ্চিত নন। তারা বলছেন, এই ঘটনার পর সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনা হয়তো সম্ভব হবে। কিন্তু এই আলোচনার ফলাফল কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য সরকার ও বিরোধী দলকে আলোচনা করতে হবে। এই আলোচনার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা সম্ভব হতে পারে। কিন্তু এই আলোচনার ফলাফল কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে র



