ভুটানের পণ্য বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আটকে আছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ এখনও পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি দেয়নি। ফলে, থাইল্যান্ড থেকে ভুটানের উদ্দেশ্যে পাঠানো একটি কন্টেইনার বাংলাদেশের বুরিমারি ল্যান্ড পোর্টে আটকে আছে।
বুরিমারি ল্যান্ড পোর্ট এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মতে, থাইল্যান্ডের ব্যাংককের একটি কোম্পানি ভুটানের একটি আমদানিকারককে ছয় ধরনের পণ্য পাঠিয়েছে। এই পণ্যগুলি হল ফলের রস, জেলি, শুকনো ফল, লিচু-স্বাদের মিছরি এবং শ্যাম্পু। এই কন্টেইনারটি থাইল্যান্ডের লেম চাবাং বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে।
বাংলাদেশ এবং ভুটান ২০২৩ সালের মার্চ মাসে একটি প্রোটোকল স্বাক্ষর করেছে। এই প্রোটোকলের অধীনে, বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর এবং সড়ক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভুটানে পণ্য পাঠানো যাবে। কিন্তু ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া এই পণ্যগুলি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পার হতে পারছে না।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তারা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ করছেন যাতে তারা দ্রুত অনুমতি দেয়। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ভুটানের পণ্য বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আটকে থাকার কারণে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তারা এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান চাইছেন। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত অনুমতি দেওয়া যাতে বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে যায়।
বাংলাদেশ এবং ভুটানের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য এই পরিস্থিতির সমাধান জরুরি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের উচিত এই বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্যের উন্নয়নের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য বাণিজ্য খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য এই পরিস্থিতির সমাধান জরুরি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের উচিত দ্রুত অনুমতি দেওয়া যাতে বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়ে যায়।



