পাবনার ঈশ্বরদীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার রাতে মামলার পর অভিযান চালিয়ে জামায়াতের দুজন এবং বিএনপির তিনজন কর্মীকে আটক করা হয়। রোববার বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী–আটঘরিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমানের পক্ষ থেকে করা মামলায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও জেলা আমির অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতের মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধাকে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চরগড়গড়ি গ্রামে জামায়াতের প্রার্থী আবু তালেব মন্ডলের গণসংযোগ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় গুলি ছোড়া, মোটরসাইকেল ভাঙচুরসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। আহতদের ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সংঘর্ষের আগে কয়েক দিন ধরে এলাকায় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল বলে স্থানীয়রা জানান। ওসি আ স ম আবদুর নূর বলেন, দুই পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মামলা করেছে। আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আসামিদের গ্রেপ্তার করছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে। আদালতের মাধ্যমে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আরও তথ্য পাওয়া যাবে আদালতের পরবর্তী শুনানির পর।
এই ঘটনায় সংবেদনশীলতা বজায় রাখা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। এই ঘটনায় আরও তথ্য পাওয়া যাবে আদালতের পরবর্তী শুনানির পর।



