বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বিজয়ের মাস উপলক্ষ্যে এক মাসব্যাপী যাত্রাপালা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এই উৎসবে সারা দেশের ৩১টি যাত্রাদল অংশগ্রহণ করবে।
এই উৎসবের মূল লক্ষ্য হলো বাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা এবং তৃণমূলের শিল্পীদের উৎসাহিত করা। উৎসবের আয়োজকরা জানিয়েছেন, টিকেট বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ সম্পূর্ণভাবে অংশগ্রহণকারী যাত্রাদলকে প্রদান করা হবে।
এই উৎসবে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টায় যাত্রাপালা পরিবেশিত হবে। এছাড়াও বিকেল ৫টায় উন্মুক্ত প্রান্তরে দেশাত্মবোধক যাত্রাগানের বিশেষ কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের পরিচালক মনে করছেন, আধুনিক বিনোদনের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা যাত্রাশিল্পকে পুনরুদ্ধারে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই উৎসবে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হলো: সূর্যতরুণ নাট্য সংস্থা, নিউ জহুরা অপেরা, বাংলার নায়ক অপেরা, দেবহাটা নাট্য সংস্থা, রনি নাট্য সংস্থা, নিহা যাত্রা ইউনিট, নিউ সুমি অপেরা, প্রত্যয় বাংলাদেশ যাত্রাদল, নিউ স্টার অপেরা, বনফুল অপেরা, বিপ্লব নাট্য সংস্থা, রাধাকৃষ্ণ নাট্য সংস্থা, নিউ বঙ্গশ্রী নাট্য সংস্থা, রৌমারী নাট্য সংস্থা, উর্মি অপেরা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি রেপার্টরি যাত্রা ইউনিট, রূপসা অপেরা, মুক্তাঙ্গন অপেরা, বঙ্গশ্রী অপেরা, পূরবী যাত্রা ইউনিট, বেলাবো নাট্য সংস্থা, দি রাজবাড়ী যাত্রা ইউনিট, কাজল অপেরা, দি নিউ ছোবহান অপেরা, বৈশাখী অপেরা, নিউ ঈশা খাঁ অপেরা, উত্তরবঙ্গ অপেরা, বীণাপাণি যাত্রাপার্টি, ভৈরব অপেরা, গীতাঞ্জলি অপেরা এবং তিষা অপেরা।
এই উৎসবের মাধ্যমে বাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দর্শকদের জন্য নামমাত্র ১০০ টাকা মূল্যে টিকেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এই উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



