ইউরোপের দেশ ফিনল্যান্ড পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারে তাদের দূতাবাস বন্ধ করে দিচ্ছে। ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কৌশলগত ও কার্যক্রমগত কারণে আগামী বছর এই দূতাবাসগুলো বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এবং ফিনল্যান্ডের সঙ্গে সীমিত বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে।
ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিনা ভাল্টোনেন বলেছেন, আমরা আমাদের দূতাবাস নেটওয়ার্ককে ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নিয়মিতভাবে উন্নয়ন করব। এই পরিবর্তনগুলো আমাদেরকে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক ফিনল্যান্ড গড়তে এবং বহির্বিশ্ব সম্পর্ক আমাদের অগ্রাধিকার অনুযায়ী পরিচালনা করতে সাহায্য করবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, একই সময়ে কিছু স্থানে বাণিজ্যিক অফিস খোলারও পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে আগে বিজনেস ফিনল্যান্ডের অফিস ছিল। ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্ত দেশটির বিদেশ ও নিরাপত্তা নীতি এবং রফতানি সম্প্রসারণের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়মিতভাবে দেশের দূতাবাস নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা পর্যালোচনা করে। চলতি বছর দূতাবাস নেটওয়ার্ক নিয়ে কৌশলগত পর্যালোচনা শুরু করা হয়েছে, যা ফিনল্যান্ডের বিদেশ ও নিরাপত্তা নীতি এবং রফতানি সম্প্রসারণের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারে দেশটির কূটনৈতিক উপস্থিতি কমে যাবে। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত দেশটির বিদেশ নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্ত দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশটি তার সম্পদ ও সক্ষমতা অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চায়।
ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের সাথে দেশটির সম্পর্ক পরিবর্তন হতে পারে। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি এই দেশগুলোর সাথে তার সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।
ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্ত দেশটির বিদেশ নীতির একটি অংশ। দেশটি তার স্বার্থ ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী তার কূটনৈতিক উপস্থিতি পরিচালনা করতে চায়।
ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি তার স্বার্থ ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী তার কূটনৈতিক উপস্থিতি পরিচালনা করতে চায়।
ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্ত দেশটির বিদেশ নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশটি তার স্বার্থ ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী তার কূটনৈতিক উপস্থিতি পরিচালনা করতে চায়।
ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটি তার স্বার্থ ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী তার কূটনৈতিক উপস্থিতি পরিচালনা করতে চায়।
ফিনল্যান্ডের এই সিদ্ধান্ত দেশটি



