22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeঅপরাধধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: মৃত্যুদণ্ডের বিধান চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: মৃত্যুদণ্ডের বিধান চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় বর্তমান আইনের সাজা অপ্রতুল উল্লেখ করে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এই রিট আবেদনে আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. গোলাম কিবরিয়া আজ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ থেকে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ দণ্ডবিধিতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে বর্তমানে মাত্র দুই বছরের সাজার বিধান রয়েছে। এমনকি নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও সাজার মেয়াদ একই রাখা হয়েছে। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় এই সাজা একেবারেই অপ্রতুল বলে মনে করা হচ্ছে।

বিদ্যমান আইনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। স্বল্প সাজার কারণে অনেকেই মহান আল্লাহ এবং রাসূল (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি করার সাহস পাচ্ছেন। যদি এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকত, তবে কেউ এমন ধৃষ্টতা দেখানোর সাহস পেত না।

রিটে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে কঠোর আইন ও সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান নিশ্চিত করার আর্জি জানানো হয়েছে, যেন ভবিষ্যতে কেউ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা ধর্মীয় মূল্যবোধে আঘাত করার সাহস না পায়।

শিগগিরই এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে। হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত অপেক্ষা করা হচ্ছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হবে কিনা তা নিয়ে সবাই অপেক্ষায় রয়েছে।

এই রিট আবেদনের ফলাফল কী হবে তা জানার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কমবে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা দেশের সকল নাগরিকের নজরে রয়েছে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হলে অপরাধীরা ভবিষ্যতে এমন অপরাধ করার সাহস পাবে না। এটি একটি সুস্পষ্ট বার্তা হবে যা সকলকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা থেকে বিরত রাখবে।

এই রিট আবেদনের ফলাফল অপেক্ষা করা হচ্ছে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হবে কিনা তা জানার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা দেশের সকল নাগরিকের নজরে রয়েছে।

শেষ পর্যন্ত, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করা হলে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কমবে। এটি একটি সুস্পষ্ট বার্তা হবে যা সকলকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা থেকে বিরত রাখবে।

৬৫/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: Banglastream
অপরাধ প্রতিবেদক
অপরাধ প্রতিবেদক
AI-powered অপরাধ content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments