জাতীয় নির্বাচনের আগে ডিসি পদে পরিবর্তনের ফলে ক্ষেত্র পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নভেম্বর ৮ থেকে ১৫ এর মধ্যে, সরকার ৫৪টি জেলায় ডিসি পরিবর্তন করেছে। এর মধ্যে ১০জন ডিসি অন্য জেলায় বদলি করা হয়েছে, আর ৪৪টি জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ করা হয়েছে। এই নিয়োগ বা বদলির অন্তত ৬টি অর্ডার পরে বাতিল করা হয়েছে।
ক্ষেত্র পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় এই ধরনের পরিবর্তনের ফলে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ডিসিরা জেলা পর্যায়ে তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে কাজ করেন। তারা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম সমন্বয় করেন, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ মোকাবেলা করেন।
সরকারি প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে স্পষ্ট মানদণ্ড নেই। বিভিন্ন পক্ষের চাপের কারণে অনেক সময় অযোগ্য কর্মকর্তারা এই পদে নিয়োগ পান। এর ফলে দক্ষ কর্মকর্তারা এই পদ গ্রহণে অনিচ্ছুক হয়ে পড়েন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তার অবস্থা সম্পর্কে জানতে বিএনপি নেতারা হাসপাতালে ছুটে যাচ্ছেন। এদিকে, সরকারি প্রশাসন মন্ত্রণালয় বলেছে, ডিসি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য।
জাতীয় নির্বাচনের আগে ডিসি পরিবর্তনের ফলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই পরিবর্তনের বিষয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করছে। এই পরিস্থিতি নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
জাতীয় নির্বাচনের আগে ডিসি পরিবর্তনের ফলে সরকারি প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিবর্তনের ফলে নির্বাচনের প্রস্তুতি কীভাবে প্রভাবিত হবে তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারি প্রশাসন মন্ত্রণালয় বলেছে, ডিসি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য। এই পরিবর্তনের ফলে নির্বাচনের প্রস্তুতি কীভাবে প্রভাবিত হবে তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।



