সিরিয়ার দামেস্ক শহরের পাশের বেইত জিন গ্রামে ইসরায়েলের বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছে। এই হামলায় দুইজন শিশুও মারা গেছে।
এই হামলার আগে স্থানীয়রা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর একটি অভিযানকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেছিল, যার ফলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেড়েছিল। ইসরায়েল দাবি করেছে যে তারা জামাআ আল-ইসলামিয়ার সদস্যদের লক্ষ্য করেছিল, যা লেবাননের মুসলিম ব্রাদারহুডের একটি শাখা।
তবে, জামাআ আল-ইসলামিয়া এই দাবি খারিজ করেছে, বলেছে যে তারা লেবাননের বাইরে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করে না।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ৫৫তম রিজার্ভ ব্রিগেড বেইত জিনে অভিযান চালিয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল সেখানে বসবাসকারী তিনজন সিরিয়ানকে আটক করা, যাদেরকে তারা জামাআ আল-ইসলামিয়ার সদস্য বলে মনে করেছিল।
তবে, এই অভিযান পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়নি। স্থানীয়রা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, যার ফলে ছয়জন ইসরায়েলি সৈনিক আহত হয়েছিল, তাদের মধ্যে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছিল।
এরপর, ইসরায়েল তার যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছিল।
বেইত জিনের একজন আহত বাসিন্দা বলেছেন, তারা রাতে ঘুমিয়েছিলেন, কিন্তু গুলির শব্দে জেগে উঠেছিলেন।
তিনি বলেছেন, তারা বাইরে গিয়ে দেখেছেন যে ইসরায়েলি সেনারা গ্রামে ঢুকেছে, এবং তারপর তারা পিছু হটেছে।
এরপর, ইসরায়েলি বিমানগুলো বোমা ফেলতে শুরু করেছিল।
এই হামলাটি ছিল ইসরায়েলের সিরিয়ায় চালিত সবচেয়ে মারাত্মক হামলা।
এটি ইসরায়েলের সিরিয়ায় চালিত এক হাজারেরও বেশি হামলার মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক হামলা।
ইসরায়েল আগেও সিরিয়ার অভ্যন্তরে অভিযান চালিয়েছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এবং সরকারপন্থী মিডিয়া বলছে যে ইসরায়েল আর তার শত্রুদের সীমান্ত সম্মান করতে পারে না, এবং তার সীমান্তের কাছে ‘শত্রু’ গোষ্ঠীগুলোকে সহ্য করতে পারে না।
ইসরায়েল অন্যান্য দেশেও শক্তি প্রয়োগ করেছে, যাতে তার সীমান্তের কাছে নিরাপত্তা অঞ্চল তৈরি করা যায়।
গাজা উপত্যকা, সিরিয়া এবং লেবাননেও ইসরায়েল এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে আসাদ শাসনের পতনের পর থেকে, ইসরায়েল সিরিয়ায় প্রায়ই বিমান হামলা চালিয়েছে এবং দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে স্থল অভিযান চালিয়েছে।
ইসরায়েল এসব এলাকায় অনেকগুলো চেকপয়েন্ট স্থাপন করেছে।
এই হামলার পর সিরিয়া এবং ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, এবং এই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।
জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
তবে, এই প্রচেষ্টাগুলো এখনও পর্যন্ত সফল হয়নি।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ চলতে থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই সংঘর্ষ থেকে মুক্তি পেতে, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে একসাথে কাজ করতে



