নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর বিভ্রান্তি ও শঙ্কা কাজ করছে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এই মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন এখনো আস্থার সংকট কাটাতে পর্যাপ্ত দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখাতে পারেনি।
রংপুরে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত প্রাক-নির্বাচনী আঞ্চলিক পরামর্শ সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব কথা বলেন। ভোটার তালিকা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নাগরিকরা মনে করছেন ভোটার তালিকা হালনাগাদ, প্রবাসীদের ভোটাধিকার এবং ছিন্নমূল ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয়গুলো এখনো পুরোপুরি নিষ্পত্তি হয়নি।
সরকারের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়েও মানুষের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে উল্লেখ করে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বড় রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে সুবিধা পাচ্ছে, ছোট দলগুলোর ক্ষেত্রে তেমনটি দেখা যাচ্ছে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে, তাই হাতে সময় খুবই সীমিত। নাগরিকদের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আগ্রহ যেমন বাড়ছে, ঠিক তেমনি অনিশ্চয়তা ও ভয়ের মাত্রাও বাড়ছে।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এই দোলাচল কাটাতে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এখনই আরও দৃঢ়, দৃশ্যমান ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও নির্বাচন কমিশনের কার্যকর সক্ষমতা প্রদর্শনই এখন সময়ের দাবি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও শঙ্কা কাটাতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে হবে। নাগরিকদের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আগ্রহ বাড়াতে হলে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে, তাই হাতে সময় খুবই সীমিত। সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এখনই আরও দৃঢ়, দৃশ্যমান ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও শঙ্কা কাটাতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে হবে। নাগরিকদের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আগ্রহ বাড়াতে হলে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে, তাই হাতে সময় খুবই সীমিত। সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এখনই আরও দৃঢ়, দৃশ্যমান ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও শঙ্কা কাটাতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে হবে। নাগরিকদের মধ্যে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আগ্রহ বাড়াতে হলে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে, তাই হাতে সময় খুবই সীমিত। সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এখনই আরও দৃঢ়, দৃশ্যমান ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
নির্বাচন ও গণ



